সাতকানিয়ায় হোল্ডিং নন্বরের নামে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে

এম এম রাজা মিয়া রাজু, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬, বুধবার: সাতকানিয়ায় একটি চক্র মন্ত্রণালয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে হোল্ডিং নন্বরের নামে এলাকার লোকজন থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় একটি পরিবারের প্রতিজন থেকে ৭০ টাকা করে আদায় করা হয়। সেই গাণিতিক হিসেবে একটি পরিবার থেকে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকাা নেয়া হয়। তারা ২/৩ মাস ধরে ১৭ ইউনিয়নে ধারাবাহিকভাবে এই টাকা আদায় করে যাচ্ছে। জানা যায় তাদের প্রথম যাত্রা শুরু করে খাগরিয়া থেকে। এরপর ধর্মপুর বাজালিয়া পুরানগড় ঢেমশা ও কেওঁচিয়া। এভাবে তাদের চাদাঁ তোলা অব্যাহত রয়েছে। তারা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একটি স্মারক নন্বর দেখিয়ে এসব টাকা তুলে যাচ্ছে। তাদের দেখানো স্মারকে যে তারিখ রয়েছে তা হল ২০১২ সালের। ৪ বছর বিগত হয়ে ৫ বছরের শেষ পর্যায়ে এসে তারা প্রতারণার ফাদঁ পেতেছে। সূত্রমতে সরকারী কোন কার্যক্রম হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন থাকে। কিন্তু উক্ত নিয়ম তাদের বেলায় নেই। প্রতি পরিবারে গিয়ে টাকার মাধ্যমে হোল্ডিং নন্বর দেয়ার এখতিয়ার তাদের নেই। সূত্রমতে তারা চেয়ারম্যানদের বশে রেখে এসব টাকা আদায় করে যাচ্ছে। তবে সোনাকানিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী নূর আহমদ হোল্ডিং নন্বরের নামে টাকা তোলার জন্য তাদের সহযোগিতা করেননি বলে জানা গেছে। অথচ বাজালিয়ার চেয়ারম্যান তাপস কান্তি দত্তের প্যাড জাল করে চক্রটি টাকা আদায় করে যাচ্ছে। বিষয়টি তিনি জেনে ও নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য ২০০৮ সালে এই চক্রটি হোল্ডিং নন্বর দিয়ে প্রতিজন থেকে ৮০টাকা আদায় করে ছিল। এব্যাপারে চট্টগ্রাম মঞ্চে লেখালেখির পর তারা পালিয়ে যায়। তারা ওইসময় খাগরিয়া ধর্মপুর কেওঁচিয়া ও ছদাহা থেকে কয়েক লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল। তখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন মোঃ আজাদ ছাল্লাল। তিনিও ব্যাপারটি নিয়ে কঠোর ছিলেন। ফলে তাদের উদ্দেশ্য আর সফল হয়নি। তারা দীর্ঘদিন পর আবার এসে হোল্ডিং নন্বরের নামে টাকা আদায় করছে। বিষয়টি বর্তমান ইউ এন ও মোহাম্মদ উল্যাহ জেনে ও কোন তৎপর হয়নি। যারা টাকা আদায় করছে তাদের কেউ চিনে ও না। এ ব্যাপারে এই প্রতিবেদক গতকাল রাতে জেলা প্রশাসকের নিকট তার কোন অনুমতি আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি জানাননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*