সাতকানিয়ায় চোরাকারবারীরা খোলা ট্রাকে অবৈধ গ্যাস বিক্রি করছে

বিশেষ প্রতিনিধি, ০৭ ডিসেম্বর, বুধবার: সাতকানিয়ায় চোরাকারবারীরা এত শক্তি যে এটা আগে কারো কল্পনায় ও ছিল না। কিন্তু যখন তারা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শন করে জনবহুল স্থান কেরানীহাট এলাকায় প্রকাশ্যে মরণফাদঁ খোলা ট্রাকে অবৈধ গ্যাস করছে তখনি মানুষের মনকে নাড়া দিয়েছে। এসব চোরাকারবারীরা প্রথমে পর্দার আড়ালে গ্যাস করলে ও এখন লোকজন বসবাসের স্থানে বীর দর্পে গ্যাস বিক্রি করে। যেসব স্থানে গ্যাস বিক্রি হয় কেরানীহাট আশ শেফা হাসপাতাল আশ শেফা স্কুল এন্ড কলেজ সাতকানিয়া রাস্তার মাথা ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের নিকটে মেইন রাস্তার উভয় পাশে। এসব জনবহুল স্থানে তারা প্রতিযোগিতামূলক ভাবে একই সময়ে ৮টি কাভার্ট ভ্যানের মাধ্যমে গ্যাস বিক্রি করে। untitled-2-copyগ্যাস কোম্পানীর অবকাঠামোর বিধি বিধান ছাড়া তারা যেভাবে গ্যাস বিক্রি করছে এতে কোন সময় বিস্ফোরণ ঘটার আশংকা দেখা দিয়েছে। এতে শ’শ’ মানুষের প্রাণহানির সম্ভবনা রয়েছে বলে এলাকার সচেতন মহলের ধারণা। জানা যায় যুবলীগ নামধারী অর্থলোভী আবদু ছোবহানসহ ২/৩জনের নেতৃত্বে জামায়াত শিবিরের একটি সিন্ডিকেট মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। সহসা ধনাঢ্য ব্যক্তি হওয়ার কুমানসে ছোবহান গং যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে চোরাকারবারী করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। জামায়াতের জেয়াবুল গং অবৈধ পন্থায় গ্যাস বিক্রি করে গচ্ছিত টাকা জামায়াতকে যোগান দেয় বলে সূত্রেপ্রকাশ। এই সিন্ডিকেটের লোকেরা অপরাধ জগতের গড ফাদার সেজে এলাকার মানুষকে জিম্মি করে অবৈধ গ্যাস বিক্রির পাশাপাশি গাছ ও ইয়াবা পাচার করে বলে একাধিক সূত্রেপ্রকাশ। তারা এমন কোন কাজ নাই করে না। ছোবহান হাল জগতের স¤্রাট বনে সকাল থেকে রাত অবধি মোটর সাইকেল নিয়ে এলাকা চষে বেড়ায়। অথচ ২০০৮ সালের আগে এসব যুবলীগ নামধারী লোকের এলাকায় কোন অস্থিত্ব ছিল না। হঠাৎ তারা যুবলীগের নাম ধারণ করে বিভিন্ন সভা সমাবেশে ফুলের মালা প্রদর্শনের সুবাধে এখন অপকর্মের হোতা হয়ে দাড়িঁয়েছে। তাদের এসব অপকর্মে স্থানীয় প্রশাসন নির্বিকার। এতে তারা এলাকায় বেপরোয়া হয়ে মনের আনন্দে আইনী নিষিদ্ধ কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এসব কর্মকান্ডে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হতে চলেছে। এসব অপ্রতিরোধ্য চোরাকারবারীকে রোধবে সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে লোকজনের মাঝে। তাদের এসব কর্মকান্ড কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তবে মাঝে মধ্যে সাময়িক বন্ধ হলে ও পুনরায় চালু হয়। তাদের চোরাকারবার কিছুইতে বন্ধ হচ্ছেনা বলে জানা গেছে। স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী পথচারীসহ এলাকায় বসবাসরত লোকেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তাদের গ্যাস বিক্রিসহ অপরাধমূলক কর্মকান্ড বন্ধ করার জন্য এলাকার সর্বস্তরের লোকজন সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*