সাতকানিয়ায় ইদানিং বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকান্ড বৃদ্ধি

এম এম রাজা মিয়া রাজু, ১৩ মে ২০১৭, শনিবার: সাতকানিয়ায় ইদানিং বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকান্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। সংঘটিত ঘটনায় মহিলারাই মৃত্যুবরণ করছে। এই হত্যাকান্ডকে বাপে’র লোকজনের দাবি করে পিটিয়ে মারা হয়েছে। আর শ্বশুর বাড়ীর লোকজন বলে আতœহত্যা।দুই পক্ষের দুই দাবিতে পুলিশের ভূমিকা নড়েবড়ে হয়ে পড়ে। এসব অনাকাঙ্খিত ঘটনায় ও এলাকার মাতব্বরা কলকাটি ঘোরায়। উপজেলার দক্ষিণ চরতীতে ২৭ এপ্রিল বৃদ্ধা ছাবেদা খাতুন ছেলের সাথে ঝগড়া করে রুপনগর পাহাড়ের উপর গলায় রশি পেচিয়ে গাছে টাঙ্গিয়ে আতœহত্যা করে বলে তারা দাবি করলেও হত্যার ধরন দেখে এলাকার লোকজন ধারণা করেছেন এই বয়সে তার পক্ষে উক্ত গাছে উঠে আতœহত্যা করা সম্ভব নয়। এছাড়া ৮ মে মাদার্শার আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে গৃহ বধু ঝিনু আকতার মারা যায়। নিহত ঝিনুর বাপে’র বাড়ীর লোকজনের দাবি তাকে যৌতুকের জন্য মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আর শ্বশুর বাড়ীর লোকজনের দাবি তিনি আতœহত্যা করেছেন। তাছাড়া আরেক মহিলার ও অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। দুই পক্ষের দুই দাবিতে পুলিশের ভূমিকা হয়ে পড়ে নিষ্ক্রীয়। এদিকে ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার আগে পুলিশ কর্মকর্তা বদলী হয়ে যায়। নতুবা মৃত্যুর দাবিদা’রা নিষ্ক্রীয় হয়ে পড়ে। ফলে তারা ঘটনা নিয়ে অগ্রসর হয়না। ইত্যবসরে ধামাচাপা পড়ে যায় ঘটনা। রক্ষা পেয়ে যায় ঘটনার মূল হোতা। সূত্রমতে এসব মৃত্যুর কারণে অসহায় হয়ে পড়ে নিহতের ছেলেমেয়ে। তারা মাকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে। তারা চিরদিনের জন্য মায়ের মায়া মমতা থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়। এসব অবুঝ সন্তানদের দেখভাল করার কেউ থাকে না। তাদের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অংকুরে বিনষ্ট হয়ে পড়ে। কাজেই এসব কান্ডের সুবিচারের অগ্রগতির লক্ষ্যে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সহসা প্রদানের ব্যবস্থা করার জন্য ভুক্তভোগিরা সংশ্লিষ্ট বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন। এরফলে তারা আইনী জঠিলা থেকে ও রক্ষ পাবে বলে জানা গেছে। সূত্রমতে এসব অনাকাঙ্খিত হত্যাকান্ডে ও এলাকার টাউট বাটপার’রা বসে থাকেনি। এখানে ও তারা আইনের নানা  হেতু দেখিয়ে টাকা পয়সা আদায় করে নেয়। মারার উপর খারার ঘাঁ প্রবাদটি তাদের উপর বর্তায়।

Leave a Reply

%d bloggers like this: