সাতকানিয়ায় অনেক রোহিঙ্গা ঘর জামাই!

দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি, ০৬ জুলাই ২০১৯, শনিবার: সাতকানিয়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে অনেক রোহিঙ্গা ঘর জামাই হিসেবে বববাস করে আসছে। জানা যায় অসচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়ে করে এখানে তারা বসবাস করার সুযোগ পেয়েছে। এই সুবাদে তারা অর্থ লোভী মেম্বারদের মাধ্যমে নাগরিকত্বের সনদ নেয়ার চেষ্টা করে। এখন রোহিঙ্গার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করায় সুবিধাবাদী গা ঢাকা দিয়েছে। তবে আগে যেসব রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে তারা চেয়ারম্যানদের সনদ নিয়ে বাংলাদেশী নাগরিক হওয়ার জোর তদবীর চালিয়েছে।

ওই সময় কেউ কেউ ভোটারও হয়েছে। কিন্তু পরে তারা আবার ভোটার থেকে বাদও পড়েছে। এক্ষেত্রে তাদের ছেলে মেয়েরা স্কুল মাদরাসায় পড়ে ভোটার হওয়ার পাঁয়তারা করে। মা বাংলাদেশী হলেও পিতার ঠিকানা বর্মা। এতে ফায়দা লুটে বাটপার’রা। জানা যায় কেরানীহাট একটি মসজিদে একজন রোহিঙ্গা মোয়াজ্জেম হিসেবে কর্মরত রয়েছে। আবার সে রাতের বেলায় ছোট ছোট ছেলেদের কোরআন পড়ায়। তাদের সাথে হোষ্টেলে রাত যাপন করে। এছাড়া সে মসজিদে আগত মুসল্লিদের সাথে কারণে অকারণে রেগে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। নামাজ পড়ার সময় মসাজিদে কোন মুসল্লির জিনিসপত্র কিংবা টাকা পয়সা খোয়া গেলে সে ওই টাকাপয়সা আত্মসাত করে বলে অভিযোগ উঠেছে। সে ঢেমশার নাপিতের চর এলাকা থেকে একটি মেয়ে বিয়ে ঘর জামাই থাকে। তার নাম ইসমাইল। তার বিরুদ্ধে এলাকায় হরেক রকম অভিযোগ রয়েছে। তাকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে জনৈক মৌলনা। এদিকে যেসব ইউনিয়নে রোহিঙ্গা বসবাস করে বাজালিয়ার মাহালিয়া পুরানগড় ছদাহা কেওঁচিয়া ঢেমশা কাঞ্চনা এওচিয়া কালিয়াইশ ও সোনাকানিয়া। সূত্রমতে রোহিঙ্গ’রা তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে মানুষ হত্যা করতে দ্বিধা করে না। তাদের মধ্যে অধিকাংশ রোহিঙ্গা চুরি ডাকাতি করে জীবন যাপন করে। তারা ভাড়াটে হিসেবে মানুষ হত্যা করে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*