‘সরকার নির্বাচনী আইন ভঙ্গ করছে’

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : সরকার আইন ভঙ্গ করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে ১০৯ জন কর্মকর্তাasaduzzaman-কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উন্নয়নমূলক ও দোকান বরাদ্দের মতো কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছে তারা। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রবিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। নির্বাচন কমিশন যদি এ অনিয়ম বন্ধ না করে তাহলে ভবিষ্যতে তাদেরকে এবং দলবাজ প্রশাসকদের বিচার করা হবে।’ রিপন বলেন, সরকার ধরে নিয়েছে ২৮ এপ্রিলের নির্বাচনে তাদের ব্যাপক ভরাডুবি হবে। জনগণ তাদের ভোট দেবে না। এ কারণে ডিসিসির দলবাজ কর্মকর্তারা দুর্নীতি করতে ‘এপ্রিল ফাইনালে’ ব্যস্ত। কারণ কয়েকদিন পরই এসব প্রশাসনে নতুন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্ব নেবেন। ‘এপ্রিল ফাইনালে’র ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিএনপির দফতরের দায়িত্বপালনকারী রিপন বলেন, ঠিকাদারদের মধ্যে একটি শব্দ প্রচলিত আছে, তা হলো জুন ফাইনাল। জুন মাস শেষ হওয়ার আগেই প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা শেষ করতে হয়। কাজ করুক না করুক, তারা বরাদ্দের টাকা শেষ দেখায়। ডিসিসি সেভাবেই ‘এপ্রিল ফাইনাল’ করছে। রিপন অভিযোগ করেন, নতুন যে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আসবেন তাদের পথ কণ্টকাকীর্ণ করতে দলীয় বিবেচনায় আওয়ামী লীগের এ অবৈধ সরকার তাদের দলীয় ক্যাডারদের নিয়োগের মাধ্যমে পুনর্বাসিত করছে। সংবাদ ব্রিফিংয়ে রিপন আরও অভিযোগ করেন, ঢাকা সিটি দক্ষিণে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে গতকালও (শনিবার) মারধর করা হয়েছে। প্রচার কাজে ব্যবহৃত মাইক কেড়ে নেয়া হয়েছে। প্রচারকর্মী শ্রমিকদলের রফিকুল ইসলাম ও রিকশাচালককে মারধর করা হয়েছে। সেগুনবাগিচায় পোস্টার লাগানোর সময় এক কর্মীকে মেরে পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় নিয়মিত প্রচার কাজে বাধা দেয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে বিএনপি কোনো অভিযোগ করেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রিপন বলেন, বিএনপি প্রার্থীদের নৈতিক সমর্থন দিয়েছে। বিএনপি সরাসরি নির্বাচন করছে না। তাই বিএনপি কোনো অভিযোগও করবে না। এ অভিযোগগুলো প্রার্থীরা বা তাদের এজেন্টরা অথবা আদর্শ ঢাকা আন্দোলন নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আকারে তুলে ধরবে। ইতিমধ্যে কয়েকটি অভিযোগ তুলে ধরা হলেও কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানান তিনি। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার হায়দার আলী, বিএনপি নেতা তকদির মো. জসিম, সাবেক এমপি শাম্মী আক্তার, সহ দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, বিএনপি নেতা শামসুল আলম তোফাসহ ২০/২২ জন নেতা। সূত্র : দ্য রিপোর্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*