‘সরকার কর্তৃক ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ প্রত্যাহার করতে হবে’

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৬ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার: চট্টগ্রাম জেলার বঙ্গোপসাগর উপকুলীয় সাগরের কূল ঘেষে বংশগত জলদাসের বসতবাড়ী। পতেঙ্গা থেকে ১ নং সৈয়দপুর পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার পরিবার, ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার জনসংখ্যা, আমাদের একমাত্র আয়ের উৎস মাছ ধরা ও বিক্রি করা।
১) সরকার ঘোষিত ৭ আক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মা মাছ ধরা নিষেধ।
২) মাঘ মাসের ১৫ তারিখ হইতে ৩০ পর্যন্ত, কম্পিং অপারেশন নামে সকল মাছ ধরা নিষেধ জারি করে।
৩) বর্তমান বছরে ২০১৯ সালে দেখা যায় যে, সরকার ঘোষিত ২০ মে থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত (৬৫ দিন) সম্পূর্ণ ইঞ্জিন চালিত ও অ- ইঞ্জিন চালিত নৌজানে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ।
৪) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও সরকারের মৎস্য অধিদপ্তর আপনাদেরকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আমরা জলদাসরা একদিন মাছ না ধরলে জীবন জীবিকা চালানো কষ্টকর হয়, এমন আইনে ৬৫ দিন কিভাবে জীবন যাপন করবে।
আপনি গরিবের মা ও বাবা, তাই বিনয়ের সাথে ও ন¤্রতার সাথে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, এই আইন বলবৎ রাখলে আমরা জলদাসরা কোন খারাপ কাজের সাথে সংযুক্ত হলে তা বর্তমান আইন এই ক্ষতির জন্য দায়ী থাকিবে। কিন্তু এই আইন অনুমোদিত হলে আজ থেকে কোন জেলে পরিবারেরর সন্তান কোন ধরণের খারাপ কাজে লিপ্ত হলে এই দায়বার কে নেবে? আমরা মনে করি আজকের এই আইনই দায়ী থাকবে। এমতাবস্থায় উপরোক্ত ২০ মে থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত (৬৫ দিন) সম্পূর্ণ যান্ত্রিক ও অ- যান্ত্রিক নৌযানে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, তাহা আদি জলদাসের কল্যাণের এবং জলদাস সম্প্রদয়ের বেঁচে থাকার জন্য প্রজ্ঞাপনটি বন্ধ করার জন্য আপনার সদয় সহযোগীতা কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*