সবজির বাজারে আগুন!

এম এম রাজামিয়া রাজু, ১৩ মে ২০১৯, সোমবার: অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জানা যায় রমজানের আগে যে কলার দাম ছিল প্রতি ডজন ৩০ থেকে ৫০ টাকা সে কলার মূল্য এখন ১০০ থেকে ১৬০ টাকা। রমজান মাসে রোজাদারেরা সেহেরিতে দুধ ভাতের আইটেম রাখে। ফলে রমজানে কলার চাহিদা বেড়ে যায়। এই সুযোগকে অসাধু কলা ব্যবসায়ীরা কাজে লাগিয়ে দাম নিচ্ছে ৪ গুণ বেশি। এতে কলা নিয়ে মানুষ এখন বিপাকে পড়েছে। অপরদিকে সবজির বাজারেও মূল্য আগুন ছোয়া। ৫০ টাকার নিচে কোন সবজির মূল্য নেই। সূত্রমতে কাকরল ৬০ থেকে ৭০ টাকা ঢ়েড়শ ৪০ থেকে ৫০ টাকা বরবটি ৫০ থেকে ৭০ টাকা কচুর লতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা। এভাবে প্রতিটি সবজির মূল্য উর্ধ্বগামী। এছাড়া মাছের মূল্য সাধারণ গ্রাহকের নাগালের বাইরে। ৩০০ টাকার কমে কোন মাছ বাজারে পাওয়া যায় না। সমুদ্রের মাছ ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা। বাজার ঘুরে দেখা যায় সাধারণ মানুষ কেনাকাটায় হিমশিম খাচ্ছে। গ্রাম কিংবা শহরে একই অবস্থা বিরাজ করছে। প্রচন্ড তাপদাহে রোজাদারেরা একটু ভাল তরিতরকারি দিয়ে সেহেরী খাওয়ার ইচ্ছা থাকলে ও অর্থের অভাবে সাধ্য হচ্ছে না। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডাকঢোল বাজিয়ে বাজার মনিটরিং করার কথা থাকলে ও সাতকানিয়ার কোথাও বাজার মনিটরিং করা হয়নি। এর ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে তরিতরকারি মাছ মাংসের মূল্য নিয়ে কারসাজি করে যাচ্ছে। এসব অর্থলোভী ব্যবসায়ীদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিযেছে। উল্লেখ্য এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি সবজির মূল্য ৩০ থেকে ৪০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। যা অযৌক্তিক মূল্য বলে সচেতন মহলের ধারণা। খেটে খাওয়া মানুষ পরিবার পরিজনের ভরণপোষণ নিয়ে উদ্বেগ উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের লাগামহীন মূল্য হওয়ায় পরিবারের কর্তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সুতরাং বাজারের মূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করার জন্য মানুষ সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*