সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন কাল ভোট

এম এম রাজা মিয়া রাজু, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮ ইংরেজী, শনিবার: প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কাল রবিবার নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় হবে ভোট। নিরাপত্তা বিধানে ভোটের মাঠে রয়েছে সেনা বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যরা। কিন্তু মহাজোট ও ঐক্যফ্রন্টের নানা ইস্যুতে ভোট হতে চলেছে। মহাজোটের দাবি এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভাবে অনুষ্টিত হবে। অপরদিকে বিশ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের অভিযোগ তাদের দাবির মধ্যে দিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া হলে ও তারা ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই বলে দাবি করছে। এরপরও তারা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে না বলে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। নির্বাচনী প্রচারণায় টুকটাক সহিংসতার ঘটনা ও ঘটেছে। এরপরও বৃহৎ দুই দল ছাড়া ও অন্যান্য দল নির্বাচনে বিজয়ের আশা ছাড়ে নি। সার্বিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে নির্বাচন কাল অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে। ভোটারেরা ও ভোট দেয়ার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। তবে তারা ভোটের মাঠের পরিস্থিতি উপলব্ধি করে ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। সাধারণ ভোটারেরা কেউ ঝুঁকি নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন না বলে জানা গেছে। কারণ তারা ভোট দিতে গিয়ে আক্রান্ত হলে তাদের দায়দায়িত্ব নেবে কে? এদিকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে আজ শনিবার নির্বাচনী সব সরঞ্জাম পৌঁছে যাবে। প্রিজাইডিং সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসাররা স্ব স্ব দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রে রাত ব্যাপী অবস্থান করবেন। রাত পৌঁহালে রবিবার সকাল ৮ টায় ভোট শুরু হবে। ভোটারেরা যেমন আতঙ্কে রয়েছেন তেমনি দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেকে সহিংসতার ঘটনার শঙ্কায় রয়েছেন। সাধারণ ভোটার ও কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কতিপয় ব্যক্তি আতঙ্কে থাকলে ও প্রশাসন রয়েছে সতর্ক অবস্থায়। কেন্দ্রে কেন্দ্রে টহল দিবে স্ট্রাইকিং ফোর্স। সাথে থাকবে ম্যাজিষ্ট্রেট। সূত্রমতে কোন অঘটন ঘটলে তৎক্ষণাৎ দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে। এদিকে একটানা ৩ দিন বন্ধের মধ্যে ভোটারেরা স্ব স্ব এলাকায় জমায়েত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ভোটের উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সব কিছুর বহিঃপ্রকাশ ঘটবে রবিবার সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা নাগাদ ভোট অনুষ্টানের মাধ্যমে। চট্টগ্রাম ১৪ আসনের বৃহৎ দলের দুই প্রার্থী খোলা মনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। অনুরূপ ১৫ আসনে নৌকার প্রার্থী নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়ালে ও স্বতন্ত্র প্রার্থী (ধানের শীষ) আ.ন.ম শামসুল ইসলাম জেলের মধ্যে রয়েছেন। তিনি সংসদ সদস্য প্রার্থী হলে ও নির্বাচনী হাওয়া উপলব্ধি করার মত তার সুযোগ হয়নি। তিনি জেলে থেকে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার প্রহর গুণছেন। এবার চট্টগ্রাম ১৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ১শ’৬৯ জন। তৎমধ্যে পুরুষ ৮৫ হাজার ৩ জন। মহিলা ৭৮ হাজার ১ শ’৬৩ জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা ৬৮ টি। বুথ সংখ্যা ৩ শ’৫৫ টি। অপরদিকে চট্টগ্রাম ১৫ আসন সাতকানিয়া লোহাগাড়ার মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৬শ’ ৬ জন। উল্লেখিত ভোটারেরা ভোট দিয়ে তাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: