‘সংকট সমাধানে রাজনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে’

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : নাশকতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার পাশাপাশি সংকট সমাধানে রাজনৈতিক উদ্যোগ নেয়া না হলে, অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থানের আশংকা রয়েছে। ঐক্য ন্যাপ 03-02-15আয়োজিত আলোচনা সভায় এমন মত জানালেন দেশের কয়েকটি বাম সংগঠনের নেতারা। তারা মনে করছেন, এই রাজনৈতিক সংকট দীর্ঘ হলে দেশে অরাজকতার মাত্রা বাড়বে। তৈরি হবে গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি। যা আওয়ামী লীগ বিএনপি বা সাধারণ জনগণ কারো জন্যই মঙ্গলজনক হবে না। রাজনৈতিক কর্মসূচীর নামে দেশব্যাপী নাশকতার পথে হাঁটছে বিএনপি জামায়াত। আর উদ্ভূত পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা না করে আইন শৃঙ্খলার দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করছে সরকার। আর তাই এক মাস ধরে আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠায় পুরো দেশ। অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে বিবদমান দুই পক্ষ আলোচনায় বসতে চাইলে সরকারকেই প্রথম আলোচনার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন বক্তারা। তারা বলেন, ‘এই নাশকতা বন্ধে সরকারকে কঠোর উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি দুই দলের দূরত্ব কমিয়ে আনতে বিশ্বাসযোগ্য তৃতীয় পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। বিবদমান দুই পক্ষকে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’ যারা সরকারী দলে আছে তাদেরই দায়িত্ব বেশি, তাই তাদেরকেই আলোচনার দুয়ার খুলে দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তারা। আলোচকরা মনে করেন, প্রধান দুই দল একে অন্যকে নির্মূল করতে মাঠে নেমেছে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। আর এমন পরিস্থিতির সুযোগ বাংলাদেশ বিরোধী শক্তি নিতে চাইবে এমনটাই স্বাভাবিক। তারা জামাতকে নিষিদ্ধ করতে সরকারী উদ্যোগ নিতে আহবান জানান। তারা বলে, এরা একটি ফ্যাসিস্ট দল। আর পৃথিবীতে কোন দেশেই ফ্যাসিস্টদের কোন দল করার অধিকার থাকে না। এদের নির্মূল করতে না পারলে দেশে আসলেই গৃহযুদ্ধ বেঁধে যাবে।’ গত চার দশকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিদেশী সাহায্য অথবা সেনাবাহিনীর সমর্থন নিয়ে ক্ষমতা দখলের যে প্রবণতা, তা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতেও রাজনীতির দৃশ্যপট একই রকম থাকবে বলে আশঙ্কা করেন বক্তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*