শৈশব থেকেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে পরিচয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনার

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৫ ডিসেম্বর, সোমবার: শৈশব থেকেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে পরিচয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনার। তার বাবা একজন মঞ্চ অভিনেতা ও নির্মাতা। সে সুবাদে ছোটবেলায় ক্যামেরার সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে ভাবনার। মাত্র দুই বছর বয়সেই ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ মেলে।1
তবে ২০০৮ সালে মূল অভিনেত্রী হিসেবে শোবিজ অঙ্গনে তার অভিষেক ঘটে। ভাবনা অভিনীত প্রথম নাটক ‘নট আউট’। এ নাটকে নিজেকে একজন দক্ষ অভিনেত্রী হিসেবে প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।
এরপর মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ফার্স্ট ডেট’ নাটকে অভিনয় করেন। নাটকটি প্রচারের পরই বেশ আলোচিত হয়ে ওঠেন ভাবনা। অল্প দিনেই এই লাস্যময়ী অভিনেত্রী তার সাহসিকতা ও মেধা দিয়ে দর্শক-নির্মাতাদের নজরে আসতে সক্ষম হন।
ভাবনা বলেন, আমি অভিনয়ের প্রতি বেশি মনোযোগী। তাই নাটকের ক্ষেত্রে গল্প ও নির্মাতা বাছাই করে কাজ করি। তবে আমাকে রোমান্টিক চরিত্রেই অভিনয় করতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। যেকোনো চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারি।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ভাবনা তার অভিনয়ের জাদু দিয়ে বেশকিছু জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক দর্শককে উপহার দিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘চৌধুরী ভিলা’, ‘অচেনা প্রতিবিম্ব’, ‘শূন্য সমীকরণ’, ‘চেনা মুখ অচেনা মুখ’, ‘জয় পরাজয়’, ‘সোনার সুতা’ প্রভৃতি। একসময় ধারাবাহিক নাটকে দেখা গেলেও গত ৪ বছর হলো এ ব্যস্ততা নেই ভাবনার। কিন্তু কারণ কি?
জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে বেশ কিছু ধারাবাহিকে অভিনয় করেছি। কিন্তু ৪ বছর ধরে কোনো সিরিয়ালে কাজ করছি না। কারণটা খুব স্বাভাবিক। আমাদের ধারাবাহিকগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ১৫ পর্ব পর্যন্ত ঠিক থাকে। এরপর গল্প হারিয়ে যায়। দর্শক আর কিছুই খুঁজে পান না।
এর নেপথ্যে রয়েছে স্বল্প বাজেট। যে বাজেট পাওয়া যায় সেটা দিয়ে ভালো গল্প থাকলেও অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে নেয়া যায় না। তা ছাড়া আমি এমনিতেই বেছে বেছে কাজ করি। আমি বিশ্বাস করি, গড়পড়তা কাজ করে পর্দায় থাকতেই হবে এমন কোনো কথা নেই।
ভাবনা শুধু ছোট পর্দায়ই সীমাবদ্ধ নন, চলচ্চিত্রেও তার পদচারণ রয়েছে। গত কিছুদিন আগে তার ক্যারিয়ারের প্রথম ছবি ‘ভয়ঙ্কর সুন্দর’র কাজ শেষ করেছেন। এটি পরিচালনা করেছেন অনিমেষ আইচ। এতে তার বিপরীতে রয়েছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।

Leave a Reply

%d bloggers like this: