শেয়ার কেলেংকারি মামলায় সাক্ষী নিয়ে বিপাকে বিএসইসি

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৫ নভেম্বর: ২০০০ সালের সৌদি-বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এ্যান্ড এগ্রিকালচার ইনভেস্টমেন্টের (সাবিনকো) শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলার সাক্ষী নির্ধারণে বড় ধরনের বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তৃতীয় দফায়ও এ মামলার সাক্ষী নির্ধারণ করতে পারেনি নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।tribunal
রোববার পুঁজিবাজার মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর নাম জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা দিতে পারেনি। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হুমায়ুন কবীর বিএসইসির আইনজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী মঙ্গলবার মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।
এর আগে ১ নভেম্বর এ মামলায় বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক আশরাফুল ইসলাম এ মামলার সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে গিয়েছিলেন। কিন্তু মামলার সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা না থাকায় তার সাক্ষ্যকে ‘আননেসেসারি’ উল্লেখ করে ট্রাইব্যুনাল তার সাক্ষ্য গ্রহণ করেনি। ট্রাইব্যুনাল ৪ নভেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন। কিন্তু ওই তারিখেও সাক্ষীর নাম জমা দিতে ব্যর্থ হয় বিএসইসি। ওইদিন ট্রাইব্যুনাল সাক্ষী নির্ধারণে ১৫ নভেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করেন। কিন্তু ১৫ নভেম্বরেও সাক্ষীর নাম জমা দিতে পারেনি বিএসইসি।
সাক্ষীর নাম জমা দেওয়ার জন্য বিএসইসির আইনজীবী ট্রাইব্যুনালে ফের সময়ের আবেদন জানান। আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ১৭ নভেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন সাক্ষীর নাম জমা কিংবা সাক্ষ্যগ্রহণ ক্লোজড করার বিষয়টি ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করবে বিএসইসি।
বিএসইসির আইনজীবী মাসুদ রানা গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, আজকে (রোববার) সাক্ষী নির্ধারণের দিন ছিল। তবে তা সম্ভব না হওয়ায় সময় আবেদন করেছি। যা আদালত মঞ্জুর করেছেন। সাবিনকো শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলায় বিএসইসির পক্ষে এর আগে বিএসইসির পরিচালক মাহবুবে রহমান চৌধুরী ১৩ অক্টোবর সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। রোববার ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোঃ বোরহান উদ্দিন, আসামি মোঃ কুতুবউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালের জুন থেকে জুলাই সাবিনকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কিছু কর্মকর্তা ব্যক্তিগত অসৎ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন ব্রোকারস হাউসে শেয়ার লেনদেন করতেন। একই দিনে বিভিন্ন ব্রোকারস হাউসে শেয়ার কিনতেন এবং একই শেয়ার অন্য ব্রোকারস হাউসের মাধ্যমে বিক্রয় করতেন। তিনি ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে সাবিনকোর ‘আনসীল’ ফান্ড ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটির জন্য শেয়ার কিনতেন। এই শেয়ার ক্রয়ের উদ্দেশ্য ছিল কিছু কোম্পানির শেয়ার দর বাড়ানো। সূত্র: শীর্ষ নিউজ

Leave a Reply

%d bloggers like this: