শিক্ষা ও সমাজসেবায় একটি নাম অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল করিম

মাহমুদুল হক আনসারী, ১১ এপ্রিল ২০১৯ ইংরেজী, বৃহস্পতিবার: অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল করিম শিক্ষা সংস্কৃতি চিকিৎসা এবং মানবতার কল্যাণে নিবেদিত একটি নাম। চট্টগ্রামসহ সারাদেশে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি গবেষণা ও প্রকাশনা পরিষদ প্রতিষ্টার মাধ্যমে হোমিওপ্যাথি জগতে চিকিৎসায় এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সারাদেশের হাজার হাজার হোমিও চিকিৎসকদের সুসংগঠিত করে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন ও রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে হোমিও চিকিৎসাকে সহজলভ্য করার জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পর্যন্ত হোমিও চিকিৎসকদের ন্যায্য অধিকার পৌছানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি এ ব্যাক্তি হোমিও হিলিং হোম নামক সর্বাধুনিক চিকিৎসা ও গবেষণা প্রতিষ্টান গড়ে তুলে হোমিও চিকিৎসা জগতে এক বিরল দৃষ্টান্ত চিকিৎসা জগতে স্থাপন করেছেন। এ প্রতিষ্টানে সাপ্তাহের প্রতিদিন সকাল বিকেল অজগাঁ গ্রাম থেকে জটিল কঠিন ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে দীর্ঘদিনের আক্রান্ত রোগীগণ চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে সফলতা অর্জন করছেন। স্বল্পমূল্যে অত্যান্তÍ আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে এ প্রতিষ্টান চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রেখেছেন। বলা যায়, আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল করিম হোমিও চিকিৎসার এক বিরল উজ্জ¦ল প্রদীপ। চিকিৎসার সাথে চট্টগ্রামের ধর্মীয় সামাজিক অরাজনৈতিক কর্মকান্ডে তার পদচারণা প্রায় অর্ধশতাব্দী। তিনি চট্টগ্রামের ধর্মীয় মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গীর্জা যেকোনো ধর্মীয় কর্মকান্ডে সহযোগীতার হাত সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছেন। চট্টগ্রাম ঈদ জামাত কমিটির কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল। এ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি চট্টগ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদের আন্তরিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিবছর মাহে রমজানুল মোবারককে স্বাগত জানিয়ে এতিম গরীব অসহায় দুস্থদের মাঝে নতুন কাপড় চোপড় ও অন্যান্য ঈদ সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন। বলা যায়, সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে এসব সাহায্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকেন। তিনি শিক্ষা ও মানব কল্যাণমূলক কর্মকান্ড প্রতিষ্টার জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্টা করেছেন। তিনি এ প্রতিষ্টানের প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান। এ সংগঠনের মাধ্যমে মহান এ ব্যাক্তি চট্টগ্রামের অসংখ্য এতিম দরিদ্র অসহায় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষাবৃত্তি ও বই খাতা কলম আর্থিক সাহায্য করে থাকেন। এছাড়াও তিনি আল্লাহর ঘরের মেহমান মহান হাজী সাহেবানদের কল্যাণে হজ্ব যাত্রী কল্যাণ পরিষদ গঠন করেছেন। তিনি এ পরিষদের মহাসচিব। প্রতিবছর সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আল্লাহর ঘরের মেহমানদের হজ্ব প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকেন। হাজীদের ন্যায্য অধিকার রাষ্ট্রীয় জাতীয় আন্তর্জাতিক সুযোগ সুবিধা প্রতিষ্টার জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে আবেদন নিবেদন এ সংগঠন তারই নেতৃত্বে করে থাকেন। তিনি বিশ্ব শান্তি শৃংখলা ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্টার জন্য বিশ্বজনীন শান্তি সংঘ প্রতিষ্টা করেছেন। তিনি এ সংগঠনের চেয়ারম্যান। এ সংগঠনের মাধ্যমে সংগঠক ডা. অধ্যক্ষ আব্দুল করিম পৃথিবীর সব ধর্ম গোত্র মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ভালোবাসা প্রতিষ্টা করার কথা বলে যাচ্ছেন। তার মানবীয় বাণী ও বক্তব্য পৃথিবীর ক্ষমতাধর নেতৃবৃন্দের নিকট পৌছে যাচ্ছে। অকাতরে তিনি ইসলাম মুসলমানসহ অন্যসব ধর্মের অনুসারীদের ভ্রাতৃত্ববোধ একতা শৃংখলা রক্ষার মাধ্যমে আন্ত:ধর্মীয় শৃংখলা রক্ষার কথা বলে যাচ্ছেন। বলা যায়, মহান এ ব্যাক্তি এ যুগের একজন মহান মানবতাবাদী কর্ণধার। তিনি চট্টগ্রামের পেরেন্টস কেয়ার স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান। এ কলেজের সার্বিক উন্নতি অগ্রগতির জন্যে তিনি চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি বিশেষ অবদান রাখছেন। এ স্কুলের শিক্ষার মান অগ্রগতি উন্নতিকল্পে তার অবদান কোনো অবস্থায় খাটো করে দেখার নয়। স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করায় কতিপয় মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে মহান এ ব্যাক্তি এবং তার অনুসারীদের উপর ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করছে। তার ফলশ্রুতিতে গত ২০ মার্চ ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে স্কুলের গভর্নিং বডির সভায় চট্টগ্রামের একটি রাজনৈতিক দলের নেতা কোন কথাবার্তা ছাড়া অতর্কিতভাবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ সভায় ন্যাক্কারজনক হামলা করে নজির স্থাপন করেছে। জানাযায় স্কুলের নামের ক্রয়কৃত বোয়ালখালী উপজেলা একটি জমি আত্মসাৎ করার মানুষে এ ধরনের ঘৃনীত ও নির্লজ্জ ব্যবহার করে বলে জানা যায়। সমাজের একাধারে চিকিৎসক, শিক্ষাবীদ, সমাজসেবক, ধর্মানুরাগী, মানবতাবাদী ও সাম্যবাদী একজন মহান ব্যাক্তির উপর কাপুরুসুচিত ন্যাক্কারজনক হামলার মাধ্যমে উক্ত ব্যাক্তি সমাজে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। এ ধরনের জঘন্য আচারণের প্রতিবাদের ভাষা সমাজের সুশিল সমাজ হারিয়ে ফেলেছে। শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্টান, শিক্ষানুরাগী মানুষের উপর হামলা আক্রমণ ও অনৈতিক অশোভন আচরণ কখনোই সমাজের সুশীল সমাজ মেনে নেবে না। তাই তার এ গর্হিত লজ্জিত কর্মকান্ডে চট্টগ্রামসহ সারাদেশের চিকিৎসক সমাজ, শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবিসহ বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণীর মানুষগণ নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ অব্যাহত রেখেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি আত্মসাৎ ও শিক্ষাঙ্গনকে কলুশিত করার এ ষড়যন্ত্র কোন শান্তি প্রিয় সংগঠন মেনে নেবে না। এসব ব্যক্তি ও সংগঠন কর্তৃক, শিক্ষা সংস্কৃতি মানবতাবিরোধী এসব অপরাধের কারণে জঘন্য অপরাধী ওই ব্যাক্তিকে আইনের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি দাবি করছে সুশীল সমাজ। অন্যথায় শিক্ষা সংস্কৃতি মানবসেবার মহতি উদ্যোগ সমাজ থেকে হারিয়ে যেতে বেশি সময় লাগবে না। লেখক : গবেষক, প্রাবন্ধিক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*