রোজা এমন এক নেয়ামত যার প্রতিদান আল্লাহ নিজ হাতে দেবেন: আল-মরচুচ হজ্ব কাফেলা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১ জুলাই: রোজাদারের যে বোধ, চেতনা এটা অন্য কোনো এবাদতে দেখা যায় না। এর জন্য রোজাদারকে ধৈর্যের চরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করতে হয়। ধৈর্যের কঠিন 1পরীক্ষায় উত্তীর্ষ হতে হয়। মাহে রমজান বিশেষভাবে সবর ও ধৈর্যের মাস। রমজান সবরের মাস। আর সবরের প্রতিদান জান্নাত। সবর না থাকার কারণে মানুষ অনাকাক্ষিত বহু সমস্যার সম্মুখীন হয়ে পড়ে। অনেক সময় কারণে-অকারণে ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। রোজা রেখে যেন ধৈয্যের বাঁধ না morshedভাঙে সেদিকে রোজাদারদের সজাগ থাকতে হবে। দেশের সুনামধন্য হজ্ব কাফেলা আল মারচুচ হজ্ব কাফেলা পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল গত ৩০ জুন বৃহস্পতিবার চকবাজারের সবুজ হোটেলে অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে এবং মাওলানা আবদুল গফুরের  কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে সূচিত হয়। ifter
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন কাদেরী। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন হজ্ব গ্র“পের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোরশেদুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মাওলানা সরওয়ার আলম, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মনোয়ার, চকবাজার বড়মিয়া মসজিদের খতীব মাওলানা আকতার হোসাইন, অধ্যক্ষ মাওলানা মোজাফফর আহমদ, প্রফেসর মুহাম্মদ হোসাইন। আলোচনা করেন মাওলানা নেজাম উদ্দিন, রুহানা হজ্ব কাফেলার পরিচালক মো. বেলাল। হামদ পেশ করেন মো. মিজানুর রহমান। 3
বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান মাস, রহমত, মাগফিরাত, নাজাত ও সংযমের মাস। এ মাস আত্মশুদ্ধি ও সুন্দর সমাজ গঠনের বার্তা নিয়ে আসে। মহান আল্লাহ পাক বলেন, মানুষের প্রতিটি কাজ তার নিজের জন্য। কিন্তু রোজা এর ব্যতিক্রম। তা শুধু আমার জন্য। কারণ এর প্রতিদান আমি নিজ হাতে দেব। হাদীসে কুদসী থেকে আমরা অনুধাবন করতে পারি রোজার গুরুত্ব আল্লাহর কাছে কত বেশী। এর সম মর্যাদার আর কোন আমল নেই। তাই রোজা রাখা প্রতিটি মুসলমানদের জন্য ফরজ। হজ্ব ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভ। এ হজ্ব উম্মতে মুহাম্মদী (সা.) এর জন্য দুর্লভ প্রাপ্তি। আল্লাহর 2মেহমান হিসাবে হাজী সাহেবানরা আল্লাহর সান্নিধ্যে এবং আল্লাহর হাবীব মুহাম্মদ (সা.)-এর সরাসরি সান্নিধ্য লাভের সুযোগ লাভ করে। এটা মোমিন জীবনের এক দুর্লভ সুযোগ। এই দুর্লভ সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে হবে। হজ্ব এবং উমরাকারীগণ হচ্ছেন আল্লাহর মেহমান। আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলা আল্লাহর মেহমানদেরকে দীর্ঘ এক যুগ ধরে যে সেবা দিয়ে আসছে তা প্রশংসার দাবিদার। কাফেলার চেয়ারম্যান বলেন, আমরা গতানুগতিক ধারায় হজ্ব কাফেলা নই। আমরা অবাস্তব ও মিথ্যা প্রতিশ্র“তি দিয়ে যেনতেন উপায়ে পবিত্র কাজকে কলুষিত করতে চাই না। শেষে দোয়া কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*