রেলওয়ে চলছে অবাধ লুটপাট!

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইংরেজী, বুধবার: রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে পাথর সরবরাহের নামে ঠিকাদার ও প্রকৌশল বিভাগের চেইন সিন্ডিকেট ব্যপক লুটপাট চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে চীফ ইঞ্জিনিয়ার আফজাল হোসেন ও সফল এন্টারপ্রাইজের মালিক আশ্রাফ আলীর বিরুদ্ধে এ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে। রেললাইনে পাথর সরবরাহ না করে চুড়ান্ত বিল প্রদানের মাধ্যমে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে।
অভিযোগে জানা যায়- প্যাকেজ জিডি-ডব্লিউ(২)” এ্যাট রায়পুর রেলওয়ে সাইডিং : সাপ্লাই অফ ৩২০০ কিউবিক মিটার মধ্যপাড়া/ পাকুর অর ইকুইভেলেন্ট ভ্যাাাটি হার্ড রক স্টোন ব্যালাস্ট অফ সাইজ ১.৫” টু ২” ইনক্রিজ সেকশনাল স্পীড এন্ড টু ইমপ্রুভ রাইডিং কোয়লিটি ইন বিটুইন জামতৈল টেক পয়েন্ট- সিরাজগঞ্জ বাজার ইনক্লুডিং সিরাজগঞ্জ স্টেশন লুট লাইন এন্ড সিরাজগঞ্জ বাজার গুডস লোকো লাইন ইন এসএস এই/ওয়ে/সিরাজগঞ্জ বাজার সেকশন আন্ডার ডিইন/২/পাকশী’স জুরিসডিকশন কাজের চুক্তিপত্র নং ১৩/বিআর/ডব্লিউজেড/ব্যালাস্ট/রায়পুর/১৬-১৭/ডব্লিউ (২) তারিখ: ০৮.০৩.২০১৭, চুক্তি মূল্য:: ১,৯৫,৭৪,৪০০/- (এক কোটি পঁচানব্বই লক্ষ চুয়াত্তর হাজার চারশত) টাকা। ঠিকাদার: সফল এন্টারপ্রাইজ, টিক্কাপাড়া, ঘোড়ামারা, রাজশাহী ্র চুক্তিপত্রের সময়সীমা কয়েকবার বর্ধিত করার পরেও চুক্তিপত্রের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ১৭৯৯.৮৯ কিউবিক মিটার অর্থাৎ ৫৬.২৫% ব্যালাস্ট (পাথর) ২৯.০১.১৮ তারিখ পর্যন্ত সরবরাহ করেছে। চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং চুক্তিপত্রে উল্লেখিত সম্পূর্ন ব্যলাস্ট (৩২০০ কিউবিক মিটার) সরবরাহ করতে ব্যর্থ হওয়ায় সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহী জনাব মো: রমজান আলী উক্ত অসমাপ্ত কাজাটি চুক্তি পত্রের শর্তানুযায়ী জরিমানাসহ বিল চুড়ান্তকরণের জন্য ডিইএন/২/পাকশী জনাব মো: আরিফুল ইসলামকে লিখিতভাবে নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু গত ০৩.১২.২০১৮ তারিখে জনাব মো: রমজান আলী বদলি হওয়ায় নতুন প্রধান প্রকৌশলী জনাব মো: আফজাল হোসেন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ট্র্যাক), পশ্চিম, রাজশাহী জনাব মো: আবু জাফর মিয়ার নির্দেশে ডিইএন/২/পাকশী জনাব মো: আরিফুল ইসলাম, এইএন/পাকশী জানব মো: আশরাফ উদ্দিন, এসএস্এই/পাথ সিরাজগঞ্জ রাজার এবং এসএস এই/কার্য/সিরাজগঞ্জ বাজার গত ৩০.০১.২০১৮ তারিখে ২২৭.১৩ কিউবিক মিটার এবং ২৫.০৩.২০১৮ তারিখে ১০৮০.৩৭ কিউবিক মিটার, সর্বমোট ১৩০৭.৫০ কিউবিক মিটার ব্যালাস্ট সরবরাহের ভূয়া চালান প্রস্তুত করে প্রায় দশমাস পরে গত ৩১.০১.২০১৯ ইং তারিখে প্রধান প্রকৌশলী জনাব মো: আফাজল হোসেনের যোগদানের পর ঠিকাদার সফল এন্টারপ্রাইজকে ৮৫.৪৭ লাখ টাকার ভূয়া চুড়ান্ত বিল প্রদান করায় বাংলাদেশ রেলওয়ে তথা সরকারের ৮৫.৪৭ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এই ব্যালাস্ট যদি সত্যিই সরবরাহ করা হতো তাহলে চালান প্রস্তুতের পর দীর্ঘ ৮ মাসের (০৩.১২.২০১৮ তারিখের মধ্যে) জনাব মো: রমজান আলী আমলেই এই চুড়ান্ত বিল প্রদান করা হতো।


কোন সোর্স হতে ব্যলাস্ট আনা হয়েছে, কোন প্রকার যানবহনে ব্যালাস্ট আনা হয়েছে, কোন কোন স্টেশনের মধ্যবর্তী রেল লাইনে ব্যালাস্ট ফেলানো হয়েছে, উক্ত স্টেশনগুলোতে রাজশাহী ও পাকশী ট্রেন কন্ট্রোল অফিসে ব্যালাস্ট ট্রেনের চলাচল (মুভমেন্ট) রেজিষ্ট্রার পরীক্ষা নিরীক্ষা করলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে। চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্বেও এবং সাবেক প্রধান প্রকৌশলী জনাব মো: রমজান আলীর লিখিত আদেশ থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে এবং বিধি বহির্ভূতভাবে আর কোন ব্যালাস্ট সরবরাহ না নিয়েই অসমাপ্ত কাজটি সমাপ্ত দেখিয়ে এই ভূয়া বিল প্রদান করায় সরকারের ৮৫.৪৭ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।
২. প্যাকেজ জিডি-ডব্লিউ (২)৩ঃ“ এ্যাট মূলাতুলী রেলওয়ে সাইডিংঃ সাপ্লাই অফ ৩২০০ কিউবিক মিটার মধ্যপাড়া/পাকুর অর ইকুইভেলেন্ট ভ্যারাইটি হার্ড রক স্টোন ব্যালাস্ট অফ সাইজ ১.৫“ টু ২” ইনক্রিজ সেকশনাল স্পীড এন্ড টু ইমপ্রুভ রাইডিং কোয়ালিটি ইন বিটুইন ঈশ^রদী বাইপাস স্টেশন-শরৎনগর ইন এসএসএই/ওয়ে/সিরাজগঞ্জ বাজার সেকশন আন্ডার ডিইএন/২/পাকশী’স জুরিসডিকশন” কাজের চুক্তিপত্র নং ১৪/বিআর/ডব্লিউজেড/ব্যালাস্ট/মূলাতুলী/১৬-১৭/ডব্লিউ (২) তারিখ: ০৬.০৩.২০১৭ চুক্তি মূল্য : ১,৯৫,৭৫,০৪০/- (এক কোটি পঁচানব্বই লাখ পঁচাত্তর হাজার চল্লিশ) টাকা। ঠিকাদার: আশরাফ আলী, আই.কে রোড মানিকনগর, ঈশ^রদী, পাবনা চুক্তিপত্রের মেয়াদ কয়েকবার বর্ধিত করার পরেও চুক্তিপত্রের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ১৭.১২.২০১৭ তারিখের আগে ১২০১.৯৮ কিউবিক মিটার ব্যালাস্ট সরবরাহ করে। চুক্তি পত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার এবঙ চু্িকতপত্রের র্ধিারতি সময় সীমার মধ্যে সম্পূর্ন ব্যলাস্ট সরবরাহ করাতে ব্যর্থ হওয়ায় সাবেক প্রদান প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহী মো: রমজান আলী উক্ত অসমাপ্ত কাজটি চুক্তিপত্রের শর্তানুযায়ী জরিমানসহ বিল চুড়ান্তকরণের জন্য ডিইএন/২/পাকশী মো: আরিফুল ইসলামকে লিখিতভাবে নির্দেশ প্রদান করেন।গত ০৩.১২.২০১৮ জনাব মো: রমজান আলী বদল হওয়ায় নতুন প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) , রাজশাহী জনাব মো: আফজাল হোসেন এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ট্র্যাক) জনাব মো: আবু জাফর মিয়ার নির্দেশে ডিইএন/২/পাকশী জনাব মো: আরিফুল ইসলাম, এইএন/পাকশী জনাব মো: আশরাফ উদ্দিন, এসএসএই/পথ/সিরাজগঞ্জ বাজার এবঙ এসএসএই/কার্য/সিরাজগঞ্জ বাজার গত ১১.০৩.২০১৮ তারিখে ২০২০.৫২ কিউবিক মিটার ব্যালাস্ট সরবরাহের ভূয়া চালান প্রস্তুত করে গত ২৮.০১.২০১৯ তারিখে অর্থাৎ দীর্ঘ প্রায় ১০ মাস পরে ১.১৯ কোটি টাকার ভূয়া চুড়ান্ত বিল প্রদান করায় বালঅদেশ রেলওয়ে তথা সরকারের ১.১৯ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। এই ব্যালাস্ট যদি সত্যিই সরবরাহ করা হতো তাহলে ১১.০৩.২০১৮ তারিখে চালান প্রস্তুতের পর দীর্ঘ প্রায় ৯ মাসের মধ্যে জনাব মো: রমজান আলীর আমলেই (০৩.১২.২০১৮ তারিখের মধ্যে) এই চুড়ান্ত বিল প্রদান করা হতো।

কোন সোর্স হতে ব্যালাস্ট আনা হয়েছে, কোন প্রকার যানবাহনে (ট্রাক বা ট্রেনে)ব্যালাস্ট আনা হয়েছে, কোন কোন স্টেশনের মধ্যবর্তী রেল লাইনে ব্যালাস্ট ফেলানো হয়ে্েযছ, প্রতিটি স্টেশন এবং রাজশাহী ও পাকশী ট্রেন কন্ট্রোল অফিসে ব্যালাস্ট ট্রেনের চলাচল (মুভমেন্ট) রেজিষ্ট্রার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে তা সব সত্য বের হয়ে আসবে। চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়া স্বত্বেও এবং সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহী জনাব মো: রমজান আলীর লিখিত আদেশ থাকা স্বত্বেও সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে এবং বিধি বহির্ভূতভাবে আর কোন ব্যালাস্ট সরবরাহ না নিয়েই অসমাপ্ত কাজটি সমাপ্ত দেখিয়ে এই ভূয়া বিল প্রদান করায় বাংলাদেশ রেলওয়ের তথা বাংলাদেশ সরকারের ১.১৯ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।

৩. প্যাকেজ জিডি-ডব্লিউ (২)-৭ঃ” এ্যাট হিলি রেলওয়ে সাইডিংঃ সাপ্লাই অফ ৩০০০ কিউবিক মিটার মধ্যপাড়া অর ইকুইভালেন্ট ভ্যারাইটি হার্ডরক স্টোন ব্যালাস্ট অফ সাইজ ১.৫“ টু ২“ টু ইনক্রিজ সেকশনাল স্পীড এন্ড ইমপ্রুভ রাইডিং কোয়ালিটি ইন বিটুইন সান্তাহার টু জয়পুরহাট সেকশন ফর এসএসএসই/ওয়ে/হিলি আন্ডার ডিইএন/২/পাকশী’স জুরিসডিকশন” কাজের চুক্তিপত্র নং ১৯/বিআর/ডব্লিউজেড/ব্যালাস্ট/হিলি/১৬-১৭/ডব্লিউ (২) তারিখ : ১৫.০৫.২০১৭, চুক্তি মূল্য: ১,৮০,০০,০০০/- (এক কোটি আশি লাখ) টাকা।
ঠিাকাদার আশরাফ আলী, আই.কে রোড, মানিকনগর, ঈশ^রদী পাবনা চুক্তিপত্রের মেয়াদ কয়েকবার বর্ধিত করার পরেও চুক্তিপত্রের নির্ধারত সময়সীমার মধ্যে ১৮.১০.২০১৭ তারিখের আগে ১৯৫৯.৯৮ কিউবিক মিটার ব্যালাস্ট সরবরাহ করে। চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং এবং চুক্তিপত্রের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পূর্ণ ব্যালাস্ট সরবরাহ করতে ব্যর্থ হওয়ায় সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহী, মো: রমজান আলী উক্ত অসমাপ্ত কাজটি চুক্তিপত্রের শর্তানুযায়ী জারিমানাসহ বিল চুড়ান্তকরণের জন্য ডিইএন/২/পাকশী মো: আরিফূল ইসলামকে লিখিতভাবে নির্দেশ প্রদান করেন। গত ০৩.১২.২০১৮ জনাব মো: রমজান আলী বদল হওয়ায় নতুন প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) , রাজশাহী জনাব মো: আফজাল হোসেন এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ট্র্যাক) জনাব মো: আবু জাফর মিয়ার নির্দেশে ডিইএন/২/পাকশী জনাব মো: আরিফুল ইসলাম, এইএন/পার্বতীপুর, এসএসএই/কার্য/হিলি এবং এসএসএই/পথ/হিলি গত ১১.১১.২০১৭ তারিখে ব্যালাস্ট সরবরাহের বূয়া চালান প্রস্তুত করে গতত ২০.১২.২০১৮ তারিখে ১০৪২.৭১ কিউবিক মিটার ব্যালাস্ট সরবরাহের ৬৩.০০ লাখ টাকার ভূয়া চুড়ান্ত বিল ঠিকাদার আশরাফ আলীকে প্রদান করায় বাংলাদেশ রেলওয়ে তথা সরকারের ৬৩.০০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এই ব্যালাস্ট যদি সত্যি সরবরাহ করা হতো তাহলে ১১.১১.২০১৮ তারিখে চালান প্রস্তুুেতর পর দীর্ঘ প্রায় ১২ মাসের মধ্যে সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম ) রাজশাহী জনাব মো: রমজান আলীর আমলেই (০৩.১২.২০১৮ তারিখের মধ্যে) এই চুড়ান্ত বিল প্রদান করা হতো।
কোন সোর্স হতে ব্যালাস্ট আনা হয়েছে, কোন প্রকার যানবাহনে (ট্রাক বা ট্রেনে)ব্যালাস্ট আনা হয়েছে, কোন কোন স্টেশনের মধ্যবর্তী রেল লাইনে ব্যালাস্ট ফেলানো হয়েছে, প্রতিটি স্টেশন এবং রাজশাহী ও পাকশী ট্রেন কন্ট্রোল অফিসে ব্যালাস্ট ট্রেনের চলাচল (মুভমেন্ট) রেজিষ্ট্রার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে তা সব সত্য বের হয়ে আসবে।
চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও এবং সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহী জনাব মো: রমজান আলীর লিখিত আদেশ থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ বেয়আইনীভাবে এবং বিধি বহির্র্ভূতভাবে আর কোন ব্যালাস্ট সরবরাহ না নিয়েই ভূয়া চালান প্রস্তুুত করে এই ভূয়া চুড়ান্ত বিল প্রদান করায় রেলওয়ে তথা সরকারের ৬৩.০০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
জানা যায় সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম রাজশাহী জনাব মো: রমজান আলী ব্যালঅস্ট পরিমাপের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি করায় এবং সরেজমিনে সঠিকভাবে ব্যালাস্ট পরিমাপের জন্য জনাব মো: সাইদুর রহমান ও জানব মো: সোহরাওয়াার্দীকে ফিল্ডে পাঠানোর ফলে ঠিকাদার আশরফ আলী ব্যালাস্ট পরিমাপে ভগিচগি না করতে পেরে আর কোন ব্যালাস্ট সরবরাহ করেনি।
৪. প্যাকেজ জিডি-ডব্লিউ (২)-১“ এ্যাট তিস্তা লেওয়ে সাইডিং ঃ সাপ্লাই অফ ৮০০ কিউবিক মিটার মধ্যপাড়া অর ইকুইভেলেন্ট ভ্যারাইটি হার্ড রক স্টোন ব্যালাস্ট অফ সাইজ ১.৫“ টু ২“ ফর ব্রীজ এ্যাপ্রোচেস, এলসি গেইট এন্ড পয়েন্টস এন্ড ক্রসিং ইন বিটুইন তিস্তা টু কুড়িগ্রাম সেকশন ফর এসএসএই/ওয়ে/তিস্তা আন্ডার ডিইএন/লামনিরহাট’স জরিসডিকশন” কাজের চুক্তিপত্র নং- ৫৪.০১.৮১০০.১৫৫.০২.০৩২.১৭/২৬ তারিখঃ ০৫.০৯.২০১৭, চুক্তি মূল্য ঃ ৪৪,৬০,০০০/- (চুয়াল্লিশ লাখ ষাট হাজার টাকা)। ঠিকাদার সফল এন্টারপ্রাইজ, টিকাপাড়া, ঘোড়ামারা রাজশাহী এর চুক্তিপত্রের সময়সীমা কয়েকবার বর্ধিত করার পরেও চুক্তিপত্রের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ৩৭০ কিউবিক মিটার ব্যালাস্ট সরবরাহ করেছে। চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং চুক্তিপত্রে সময়সীমার মধ্যে ব্যালাস্ট সরবরাহ করতে ব্যর্থ হওয়ায় সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহী জনাব মো: রমজান আলী উক্ত অসমাপ্ত কাজটি চুক্তিপত্রের শর্তানুযায়ী জরিমানাসহ বিল চুড়ান্তকরণের জন্য ডিইএন/লালমনিরহাটকে লিখিতভাবে নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু গত ০৩.১২.২০১৮ তারিখে জনাব মো: রজমান আলী বদলি হওয়ায় নতুন প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) রাজশাহী, জনাব মো: আফজাল হোসেন এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ট্র্যাাক), পম্চিম, রাজশাহী জনাব মো: আবু জাফর মিয়ার নিদের্শে ডিইএন/লালমনিরহাট জানব মো: আনেয়ার হোসেন, এইএন/লমনিরহাট জনাব মো: সাইদু রহমান, এএসএই/পথ/তিস্তা এবং এসএসএই/কার্য/লামনিরহাট ৪৩০ কিউবিক মিটার ব্যালাস্টের ভূয়া চালন প্রস্তুুত করে কাজটি সমাপ্ত দেখিয়ে চুড়ান্ত বিল প্রদান করায় বালাদেশ রেলওয়ে তথা সরকারের ২৩.৯৭ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও এবং সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) রাজশাহীর লিখিত আদেশ তাকা সতে¦ও সম্পূর্ন বেআইনীভাবে এবং বিধি বর্হিভূতভাবে এই ভূয়া বিল প্রদান করায় বালাদেশ রেলওয়ে তথা সরকারের ২৩.৯৭ লাখ টাকা ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

৫. সান্তাহার রেলওয়ে সাইডিং-এ ১০০০ কিউবিক মিটার ব্যালাস্ট রবরাহের ঠিকাদার সফল এন্টারপ্রাইজ, টিকাপাড়া, ঘোড়ামারা, রাজশাহী কয়েকাবর চুক্তিপত্রের মেয়াদ বর্ধিত করার পরেও মাত্র ৪৯৯.০০ কিউবিক মিটার ব্যাস্ট সরবরাহ করে। চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং চুক্তিপত্রের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পূর্ন ব্যলাস্ট সরবরাহ করতে ঠকাদার ব্যর্থ হওয়ায় সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম রাজশাহী জনাব মো: রমজান আলী উক্ত অসমাপ্ত কাজটি চুক্তিপত্রের শর্তানযায়ী জরিমানাসহ বিল চুড়ান্তকরনের জন্য ডিইএন/২/পাকশী’কে লিখিত আদেশ প্রদান করেন। কিন্তু চুক্তিপত্রের মেয়াদের মধ্যে ৫০২.১৯ কিউবিক মিটার ব্যালাস্ট সরবরাহের ভূয়া চালান প্রস্তুত করে জানুয়ারী/২০১৯ মাসে ১৭.৫৩ লাখ টাকার ভূয়া চুড়ান্ত বিল প্রদান করায় সরকারের ১৭.৫৩ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।

৬. প্যাকেজ ডিজি-ডব্লিউ (২)৯“ এ্যাট মৌচাক রেলওয়ে সাইডিং ঃ সাপ্লাই অফ ৩২০০ কিউবিক মিটার মধ্যপাড়া অর ইকুইভেলেন্ট ভ্যারাইটি হার্ড রক স্টোন ব্যালাস্ট অফ সাইজ ১.৫“ টু ২“ টু ইমপ্রুভ রাইডিং কোয়ালিটি এবং রেগুলার মেইনটেন্যান্স ইন বিটুইন মৌচাক টু জয়দেবপুর সেকশন ফর এসএসএই/ওয়ে জয়দেবপুর আন্ডার ডিইএন/২/পাশী’স জরিসিডিকশন” কাজের চুক্তিপত্র নং- ২১/বিআর/ডব্লিউজেড/ব্যালাস্ট/মৌচাক/১৬-১৬/ডব্লিউ (২) তারিখ ০৪.০৬.২০১৭ চুক্তি মূল্য ঃ ১,৯২,০০,০০০/- (এক কোটি বিরানব্বই লাখ) টাকা। ঠিকাদার মেসার্স সরদার ট্রেডার্স, এইচ/২, রেলওয়ে মার্কেট ভদ্রা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী, ১১.০৩.২০১৮ তারিখ পর্যন্ত ২৬১৩.৮০ কিউবিক মিটার সরবরাহ করেন কিন্তু প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম)রাজশাহী জনবা মো: আফজাল হোসেনের নির্দেশে ডিইএন/২/পাকমী মো: আরিফুল ইসলাম, এইএন/জয়দেবপুর জনাব নাজিম কায়ছার, এসএসএই/পথ/জয়দেবপুর এবং এসএসএই/কার্য/জয়দেবপুর গত ০৫.০৬.২০১৮ তারিখে ৫০২.১০ কিউবিক মিটার ব্যালাস্ট সরবরাহের ভূয়া চালান প্রস্তুত করে গত ২০.১২.২০১৮ তারিখে ৩১.৯৭ লাখ টাকার ভূয়া চুড়ান্ত বিল প্রদান করায় বাংলাদেশ রেলওয়ে তথা সরকারের ৩১.৯৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

সাবেক প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহীল সমেয় প্রতি ঘনফুট ব্যালাস্টের (পাথর) প্রাক্কলিত মূল্য ছিল ১৭০.০০ টাকা কিন্তু হঠাৎ করেই নতুন প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহী ও অতি: প্রদান প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহী প্রতি ঘনফুট ব্যালাস্টের (পাথরের) প্রাক্কলিত মূল্য ১৭০.০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১৫.০০ টাকা করেন এবং বমঢ় টেন্ডারে সুক্ষ্ম কারচুপির (যেমন টেন্ডারে উল্লেখিত প্রাক্কলিত মূল্য রদবদল করে নুতননভাবে প্রাক্কলিত মূল্য প্রস্তুত করে শুধুমাত্র আশরাফ আলী ও সফল এন্টারপ্রাইজ সত্ত্বাধীকারী লূলু ঠিকাদারকে জানিয়ে দেয়া যাতে অন্য কান ঠিকাদার উক্ত কাজ না পায় এবং ্অন্যান্য ঠিকাদারকে টেন্ডারে অংমগ্রহন করতে বারণ করা, টেন্ডারে অহেতুক কিছু শর্ত আরোপ করা ইত্যাদি) মাধ্যমে ঠিকাদার আশরাফ আলী, সি শ্রেণীর ঠিকাদার মানিকনগর পাকশী, ঈশ^রদী, পাবনাকে (১) পাকশী ভেড়ামাড়া সেকশনে ২০০০ ঘনমিটার (চুক্তিপত্র মূল্য ঃ ১,৩৩,২০,৪০৪.০০টাকা), নাভারন-ঝিকরগাছা সেকশনে ২৫০০ ঘনমিটার (চুক্তিপত্রের মূল্য ঃ ১,৬৩,০০,৫০৫.০০ টাকা) দর্শনা ইয়ার্ডে ১৯০০ ঘনমিটার, বোনারপাড়া- কাউনিয়া সেকশনে ২৫০০ ঘনমিটার ব্যালাস্ট (পাথর ) সরবরাহের কাজ দিয়েছে। প্রাক্কলিত মূল্যের চেয়ে অকে বেশি মূল্যে এবং ঠিকাদার সফল এন্টারপ্রাইজ, টিকাপাড়া, ঘোড়ামারা, রাজশাহীকৈ মৌচাক মহেড়া সেকশনে ২০০০ ঘনমিটার (চুক্তিপত্র মূল্য ঃ ১,৩৪,৯০,০০৪.০০টাকা) রাজশাহী ইয়ার্ডে ২০০০ ঘনমিটার এবং সান্তাহার-বোনারপাড়া, সেকশনে ১৫০০ ঘনমিটার ব্যালাস্ট (পাথর )সরবরাহের কাজ দিয়েছে প্রাক্কলিত মূল্যৈর চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে এবং ঐ দূর্নীতি কাজ প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম) রাজশাহী জনাব মো: আফজাল হোসেন এবং অতি: প্রধান প্রকৌশলী (ট্র্যাক), পশ্চিম রাজশাহী জনাব মো: আবু জাফর মিঞা লাখ লাখ টাকা অবৈধ ভা বে উপার্জন করেছে। তাচাড়া উক্ত দুইজন দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা সংম্লিষ্ট এসএসএই/পথ, এসএসএই/কার্য সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী ও বিভাগীয় প্রকৌশলী কে ব্যালাস্ট (পাথর) সরবরাহ কম নিয়ে বেশি পরিমানের চালান বানিয়ে বিল পরিশোধের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন এবং উল্লেখিত নি¤œপদস্থ কর্মকর্তাগণও ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করে ব্যালাস্ট সরবরাহ কম নিয়ে বেশি পরিমাণ ব্যালাস্টের বিল প্রদান করে থাকেন। এইভাবে ব্যালাস্ট (পাথর) সরবরাহের নামে বাংলাদেশ রেলওয়ের কোটি কোটি টাকা লুটপাট করছে মো: আফজাল হোসেন, আবু জাফর মিয়া, আরিফুল ইসলাম (ডিইএন/২/পাকশী)মো: আনোয়ার হোসেন (ডিইএন/লালমনিরহাট) মো: আশরাফ উদ্দিন (এইএন/পাকশী) ও অন্যান্য রেলওয়ে কর্মকর্তাবৃন্দ। যে ব্যালাস্টে (পাথর) সরবরাহ নিয়ে রেল লাইনের উন্নয়ন সাধন করে ট্রেনের গতি বৃদ্ধি করার কথা অথচ এই ব্যাপক দূর্নিিতর মাধ্যমে রেলপথের আর উন্নয়ন হচ্ছে না বরং যেকানে প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহী জনাব মো: রমজান আলী পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভিন্ন সেকশনে রেলপথের উন্নয়ন সাধন করে ট্রেনের গতি বৃদ্ধি করেছিলেন, সেখানে বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিম), রাজশাহী জনাব মো: আফজাল হোসেন এবং আবু জাফর মিয়া, আরিফূল ইসলাম, আশরাফ আলী আনোয়ার হোসেন রেল লাইনের বারোটা বাজিয়ে ট্রেনের গতি কমিতেয় দিয়েছে। (পার্বততীপুর-জামতৈল- জয়দেবপুর সেকশনে ট্রেনের গতি কমানো হয়েছে) এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তথা রেল লাইনের ক্রটির কারণে ঘন ঘন দূর্ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে।

এদিকে আশরাফ আলীর অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে স্থানীয় এলাকার একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ তৈরী হয়েছে। এ গ্রুপটি রেলওয়েতে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। রেলওয়ের অনেক অসৎ কর্মকর্তার সাথে তার ওঠা-বসা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে যখনই কোন অভিযোগ আসে, তখন ওইসব অসৎ কর্মকর্তা তার হয়ে কাজ করেন। ওইসব অসৎ কর্মকর্তাদের হাতে রাখে সে, বিনিময়ে লাখ লাখ টাকা অসৎ কর্মকর্তাদের প্রদান করে আশরাফ আলী। শুধ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে নয়, পুরো রেলওয়েতেই তার অবৈধ প্রভাব রয়েছে। আশরাফ আলীসহ রেলের অসৎ কর্মকর্তাদের রোধ করতে না পারলে রেল লাইনের কোন উন্নয়নই টেকসই হবে না। আশরাফ আলীকে রেলওয়েতে কালো তালিকা ভূক্ত করার দাবী রয়েছে রেলওয়ের সৎ অফিসারদের মূখে মূখে।
এইসব দূর্নীতিবাজ, ঘুষখোর কর্মকর্তা এবং ঠিকাদারগণের বিরুদ্ধে সরেজমিনে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*