রংপুর ৫ মিঠাপুকুর আসনে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭, শনিবার: রংপুর-৫ মিঠাপুকুর আসনে মহাজোটভুক্ত জাতীয় পার্টি (জাপা) এবং আওয়ামী লীগ কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। জাতীয় পার্টির একক প্রার্থী হিসেবে দলটির ডাকসাইটে নেতা এস এম ফখর উজ-জামান জাহাঙ্গীর হলেও আওয়ামী লীগে রয়েছে একাধিক প্রার্থী। এই অবস্থায় ২০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী হিসেবে এলাকায় সর্বজন নন্দিত অধ্যাপক গোলাম রব্বানীকে বিজয়ী করার ব্যাপারে আশাবাদী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্য মতে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ সংসদীয় আসন রংপুর-৫ মিঠাপুকুর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান। তার ছেলে রাশেক রহমান মনোনয়নপত্র দাখিল করেও প্রত্যাহার করে নেয়ায় আশিকুর রহমান এমপি হয়ে যান। অন্য দিকে এই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক এস এম ফখর উজ-জামান জাহাঙ্গীর মনোনয়নপত্র তুললেও দাখিল করেননি।
এ ছাড়া তৎকালীন চারদলীয় জোট ভোট বর্জন করেছিল। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখানে আওয়ামী লীগ এইচ এন আশিকুর রহমান এক লাখ ২৪ হাজার ৮৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ফখর উজ-জামান জাহাঙ্গীর এক লাখ এক হাজার ২৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাফিজুর রহমান ৫৬ হাজার ১৩৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছিলেন। এই সময়ে মহাজোটভুক্ত হয়েও এই আসনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি পৃথকভাবে ভোটে অংশ নিয়েছিল। আর চারদলীয় জোটের পক্ষ থেকে ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী।
অন্য দিকে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে এক লাখ এক হাজার ৯০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন কৃষকলীগ থেকে জাতীয় পার্টিতে আসা শাহ সোলায়মান আলম ফকির। এ সময় তার কাছে হেরে গিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের এইচ এন আশিকুর রহমান। তিনি ভোট পেয়েছিলেন ৭৫ হাজার ৬০৮ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামীর আবু বকর ওয়াহেদী ৫৩ হাজার ১৭৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*