যে খাবারে অবসাদ ভর করে

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৫ নভেম্বর: নানা কারণে শরীরে অবসাদ ভর করে। বিশ্রাম নেওয়ার পরও ঘুম ঘুম ভাব থেকেই যায়। শারীরিক সমস্যা না থাকলে এর পেছনে দায়ী হতে পারে খাবার। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার ফিটনেস বিশেষজ্ঞ ও নিউট্রিশন সেন্টারের পরিচালক এলিজাবেথ পলিতি এমনটি জানিয়েছেন। তিনি বেশ কয়েকটি খাবারের কথা বলেছেন, যেগুলো খেলে ঘুম ঘুম ভাব চলে আসে। সালাদ স্বাস্থ্যকর খাবার বটে। তবে লেটুস, গাঁজর আর সবুজ সবজিতে ভরা সালাদ আপনাকে sleepসারাদিনের শক্তি দিতে পারে না। কাজেই ম্যাজম্যাজে ভাব চলে আসে। এমনকি এক বাটি সালাদ খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরই আপনি ক্ষুধার্ত হয়ে যেতে পারেন। বরং এর সঙ্গে কয়েক চামচ মধু বা মাখন দিয়ে নিলে কিছু বাড়তি শক্তি পেতে পারেন। সজাগ ভাব ধরে রাখতে মাশরুম, বাঁধাকপি এবং পাতাবহুল শাকের সঙ্গে মুরগি মাংস মিলিয়ে খাওয়া যেতে পারে। পনির-দই এই মজাদার খাবারগুলো অবসাদ আনে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে এদের প্রভাব আরো বেড়ে যায়। দুগ্ধজাত যেকোনো খাবারই দেহে অবসাদ আনে। এর কারণ সুস্পষ্ট নয়। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এসব খাবারের প্রোটিনের সঙ্গে বিপাকক্রিয়ায় ভুল আচরণ করে। যদি এসব খাবার খাওয়ার পর সব সময় অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। কলা ও বাদাম পেশির জড়তার উপাদান থাকে কলা ও বাদামে। এর ম্যাগনেশিয়াম এবং খনিজ উপাদান পেশিকে শিথিল করে। ফলে দেহে একটা আয়েশি ভাব চলে আসে। তাই এগুলো খাওয়ার কারণে ঘুম ঘুম ভাব থাকতেই পারে। চিনিপূর্ণ ও চর্বি জাতীয় খাবার এসব খাবারে তাৎক্ষণিকভাবে চাঙ্গা মনে হলেও পরবর্তীতে অবসাদ চলে আসে। তা ছাড়া যারা হঠাৎ করে বেশ কিছু দিন পর এসব খাবার খান, তাদের দেহে প্রতিক্রিয়া আরো বেশি হয়। গবেষণায় বলা হয়, আমাদের দেহ নিয়মিত খাবার তালিকার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়। যদি নিয়মিত কম চর্বি ও চিনিযুক্ত খাবার খান, তবে দেহে কমমাত্রায় গ্যাস্ট্রিক তরল এবং এনজাইম উৎপন্ন হয়। এতে চিনি ও ফ্যাট দ্রুত হজম হয়। কিন্তু এক দিন হঠাৎ করেই বেশি বেশি খেলে হজমে সমস্যা ঘটবে। এতে দেহ শক্তি হারায়। তাই মন চাইলেই একদিন খাদ্য তালিকায় আকস্মিক বড় পরিবর্তন আনার আগে বিষয়টি মাথায় রাখবেন। সূত্র: ঢাকাটাইমস

Leave a Reply

%d bloggers like this: