মোপলেস’র শ্রাবণ-সন্ধ্যা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৭ জুলাই: শনিবার বিকাল ৪ টায় কদম মোবারক এম.ওয়াই উচ্চ বালক-বালিকা বিদ্যালয়ে মোরাপত্র লেখক সমাজ (মোপলেস) চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে শ্রাবণ-সন্ধ্যা উপলক্ষে শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শ্রাবণ-সন্ধ্যা অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জাহেদুর রহমান সোহেলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির আসন অলংকিত করেন চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক এড. মনজুর মাহমুদ খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন “দৈনিক মুক্তবাণী”র প্রকাশক ও সম্পাদক নারী নেত্রী ববিতা বড়–য়া। বিশেষ আলোচক ছিলেন অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্ত্তী, এড. মোস্তফা আনোয়ারুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা পরিষদের সভাপতি মো: আবদুর রহিম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডা: আর.কে. রুবেল ও স্বপন সেন।Mples news pic 17
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি সজল দাশ, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেতা মো: মনজুর, মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য বোরহান উদ্দিন গিফারী, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আলী রেজা পিন্টু, সংস্কৃতিকর্মী দিলীপ সেনগুপ্ত, আসিফ ইকবাল ও রতন ঘোষ। অনুষ্ঠানে সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র মো: জোবায়েরকে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় এবং এস.এস.সি পরীক্ষায় গোল্ডেন+ অর্জন করার জন্য সাজিয়া খানম ইরিনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, মোপলেসের শ্রাবণ-সন্ধ্যার আয়োজন একটি মহতী উদ্যোগ। যারা সংগীত ভালোবাসে না তারা পশুর চেয়েও খারাপ। যখন শ্রাবণের অঝোর ধারায় প্রকৃতি নব সাজে সজ্জ্বিত, মানুষের মনে যখন একটু শান্তির পরশ লেগেছে তখনই আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বজুড়ে চলছে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। একশ্রেণি বিপথগামী যুবকেরাই এতে লিপ্ত রয়েছে। তারা শত শত লোককে নির্বিচারে হত্যা করে চলেছে। এই মুহুর্তে প্রয়োজন দেশের মুক্তিকামী, দেশপ্রেমিক, সুশীল সমাজ, পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষের ঐক্য সেই ঐক্যটি হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিদের নিয়ে। কারণ এদেশের মানুষ সত্য, সুন্দর, মানবতা ও ন্যায়ের পক্ষে। বঙ্গবন্ধু দেশটি স্বাধীন করেছিলেন একটি সুখী, সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে। উদ্বোধক মেয়র জোবায়ের বলেন, বর্তমানে একশ্রেণির লোক ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করে চলেছেন। কিন্তু মানুষ হত্যা করার কথা কোনো ধর্মেই লেখা নেই। প্রতিটি ধর্মে শান্তির কথা বলা হয়েছে। বক্তারা বলেন, সুস্থ সংস্কৃতি চর্চায় সকলের ব্রত হওয়া উচিত। এতে মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন রচিত হয়। শ্রাবণ-সন্ধ্যা অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী রিমি সিন্হা, পৃথুলা বিশ্বাস, পূজা রাণী বর্মণ, ইসফার আজাদ অর্ঘ্য ও কাকলী দাশগুপ্তা। তবলায় ছিলেন অক্ষয় দাশ। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন শিল্পী অচিন্ত্য কুমার দাশ, নারায়ণ দাশ, আলমগীর, চম্পক, খালেদা খানম, জয়া দেব, রুবী দে, জেসমিন আক্তার, ফাল্গুনী বিশ্বাস, উম্মে কুলসুম, কনক বিশ্বাস, চম্পক বড়–য়া, গীতা রাণী, রতœা সিন্হা, সীমা রক্ষিত, মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, রতন ভট্টাচার্য, দীপ্র দেব, বিশাল বড়–য়া অর্ক, মো: জাফর আলম প্রমুখ। প্রধান অতিথি অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট প্রদান করেন। সভার সভাপতি অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সফল করার জন্য উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সজল দাশ ও দিলীপ সেনগুপ্ত। অনুষ্ঠানটির সৌজন্যে ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত, লেখক ও প্রাবন্ধিক শেখ মুজিব আহমেদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*