মেলায় সাড়া ফেলেছে ‘একটি সেলফি ও আদর্শ গ্রামের গল্প’

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৩ ফেব্র“য়ারী: একুশে বইমেলায় আমানুল্লাহ নোমানের গল্পের বই ‘একটি সেলফি ও আদর্শ গ্রামের গল্প’ প্রকাশ হয়েছে। নাবা প্রকাশন থেকে বের হওয়া বইটি পাওয়া যাবে লিটলম্যাগ চত্বরের ‘আড্ডা’ স্টলে। স্টল নম্বর-০৯। বইটি মেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বইটির সম্পর্কে আধুনিক অনুকাব্য ও বিজ্ঞান ছড়ার জনক জগলুল হায়দার বলেন ‘একটি সেলফি ও আদর্শ গ্রামের গল্প’ একটি আধুনিক নাম। জীবনমুখী গল্প নিয়ে লেখককের ছোট গল্পের সংকলন এ বইটি। E
বইটিতে আধুনিক সমাজ ব্যবস্থার অর্থনীতি সম্পর্কে বর্ণনা আছে। সুদের কবলে গরীবরা কীভাবে নিস্পেশিত হয় তা উঠে এসেছে গল্পের মাধ্যমে। আবার তরুনদের প্রচেষ্টায় একটি গ্রাম কীভাবে স্বনির্ভরতা অর্জন করে সেসব কথাই আমানুল্লাহ নোমানের গল্পে উঠে এসেছে। আমি লেখকের শুভ কামনা করছি।
বইটি সম্পর্কে আমানুল্লাহ নোমান বলেন, ‘ভালো মন্দের দ্বন্দ পৃথিবীতে লেগে আছে এবং থাকবে। এর ভেতরেই ভালোকে নিয়ে সামনে এগুতে হবে। সৃষ্টিশীল কাজ সবসময়ে বাধা প্রাপ্ত হয়। তাই বলে কী ভালো কাজ থেমে আছে! না, নেই।
সব বাধা ডিঙ্গিয়ে ভালো কাজগুলো চলে যায় চূড়ান্ত সীমানায়। আধুনিক অর্থ ব্যবস্থায় নিষ্পেষিত হচ্ছে সমাজের সাধারণ মানুষ। গরীবের ঘাঁম ঝড়া পরিশ্রমের সকল সুবিধা লুফে নিচ্ছে একদল মানষ নামের কালো শকুন আমার গল্পে উঠে এসছে।
এই নিষ্পেষিত মানুষগুলোর কথা। এসেছে তাদের পরিবর্তনের কথা। গল্প সাহিত্যের একটি অংশ। সাহিত্য হচ্ছে সামজের দর্পণ। সমাজে প্রতিনিয়ত যা ঘটছে ছন্দ ও ভাবাবাক্যের ব্যকরণে তা হয় গল্প। আমার গল্পগুলো ঠিক তেমনই।’
আমানুল্লাহ নোমান নিয়মিত লিখছেন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে। তার প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা আটটি। জন্ম বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাজগুরু গ্রামে। পিতা মুহম্মদ ওয়ালীউল্লাহ খন শিক্ষক। মাতা হাসিনা আক্তার।
আমানুল্লাহ নোমান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে এম. এ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিজিডি আই এস ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি লেখক, সংগঠক ও সাংবাদিক।
নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করেছেন বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ফাউন্ডেশন। বর্তমানে তিনি ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন। কর্মজীবনে তিনি একটি স্বনামধন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। লেখালেখি, সংগঠন আর চাকুরি এই তিনে কাটে তার ব্যস্ত সময়। আড্ডা স্টলের সত্বাধিকারী সানাউল্লাহ সাগর বলেন বইটি বেশ ভালোই চলছে। আমরা বইটিতে ভালো সাড়া পেয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*