মিয়ানমারে সংঘর্ষে ৩০ সেনাবাহিনীর প্রাণহানি

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২১ আগস্ট ২০১৯ইং, বুধবার: মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের শান রাজ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী নর্দান অ্যাল্যায়েন্সের বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে দেশটির সেনাবাহিনীর অন্তত ৩০ সদস্য নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার চীন সীমান্তের নিকট এক রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে পৃথক সংঘর্ষে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে বিদ্রোহী গোষ্ঠী দাবি করেছে। বুধবার থাইল্যান্ডভিত্তিক মিয়ানমারের ইংরেজি দৈনিক দ্য ইরাবতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। মিয়ানমার ৩০ সেনাবাহিনী সদস্যের প্রাণহানির খবর প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির সেনাবাহিনীর দাবি ৩০ সদস্য নিহত অসম্ভব।


দেশটির বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহী এই গোষ্ঠী বলছে, শান রাজ্যের লাশিও থেকে মুসে মহাসড়কের কুটকি মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ৯টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ৩০ সেনা সদস্য নিহত হয়েছে ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কয়েকজন আহত হলেও কারও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে তারা দাবি করেছে।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জ্য মিন তুন বলেন, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও ৩০ সৈন্যের প্রাণহানি অসম্ভব। নং চো ও কিয়াকমি শহরে দুটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কিয়াকমির সংঘর্ষে বিদ্রোহী গোষ্ঠী তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) একটি অস্থায়ী ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে।
জ্য মিন তুন আরো বলেন, আমরা খবর পেয়েছি যে, লাশিও এবং কুটকাই এলাকায় বিদ্রোহীদের অনেক সদস্য নিহত হয়েছে। আমরা এখন পর্যন্ত ১০ বিদ্রোহীর মরদেহ উদ্ধার করেছি।
গত ১৫ আগস্ট থেকে মিয়ানামার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার দাবি করেছে নর্দান অ্যালায়েন্স। সংঘর্ষের ষষ্ঠ দিন বুধবার কুটকাইয়ে আবারও সংঘর্ষের দাবি করেছে বিদ্রোহীদের এই জোট।
নর্দান অ্যালায়েন্স দেশটির বিচ্ছিন্নতাবাদী তিনটি গোষ্ঠীর জোট। টিএনএলএ ছাড়াও আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ) এই জোটের সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*