মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে ঢাকা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭, সোমবার: চাঁদাবাজ, জবরদখলকারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এর মানিকদি ও বালুঘাট এলাকার জনগণ। পুলিশের কাছে বারবার ধরনা দিয়ে ও যখন এলাকাবাসী কোনও প্রতিকার না পায়। তখন তারা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশ প্রধানসহ দেশের সব গোয়েন্দা সংস্থার কাছে এই সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আব্বাস আলীর নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে একটি বিশাল বাহিনী। এই বাহিনীর অপর সদস্যরা হলেন, আজমত আলী, মো.ফারুক, মো. সাহারীয়ার (রাসেল), নাসির, দোলন, শিবলী, সুমনসহ আরো ডজন খানেক সন্ত্রাসী। ক্যান্টনমেন্ট থানার কতিপয় অসৎ পুলিশ অফিসার তাদের সঙ্গে যোগসাজস রয়েছে। যে কারণে তাদের কোন আইনী ঝামেলায় পড়তে হয় না। এই গ্রুপটি অত্র এলাকায় কোন নুতন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,জমি, বাড়ি তৈরি করতে গেলেই এই আব্বাস বাহিনীকে মোটা অংকের চাঁদা দিতে হয়। এরা কতিপয় নিরীহ জনগণকে ইয়াবা, ফেন্সিডিলের ব্যবসার মিথ্যে অভিযোগ টেনে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে ওই পুলিশ সদস্যদের কাছে তুলে দেয়। এ ছাড়া অত্র এলাকার ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে এই বাহিনী।
অভিযোগে আরও জানা যায়, মানিকদী বাজার জামেয়া আঃ জব্বার সিনিয়র মাদ্রাসায় বিভিন্ন সময়ে তাদের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা অবস্থান নেয়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং এলাকার জনগণ এর প্রতিবাদ করলে তারা প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে ভয়ভীতি এবং প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। আওয়ামীলীগের কোন পদ-পদবী না থাকলেও এলাকায় তারা নিজেদের আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে দাবি করে। এছাড়া অত্র এলাকার ট্যাম্পু স্ট্যান্ড, রিকশা স্ট্যান্ড থেকে প্রতিনিয়ত লাখ লাখ টাকার চাঁদা আদায় করে।
অভিযোগকারী মোঃ আব্দুল্লাহ লিখিত এ অভিযোগে তিনি আরও জানান, আব্বাস আলী প্রকাশ্যে বলে ওসি মাহাবুবকে প্রতিমাসে আমি ৫ কোটি টাকা দেই। পুলিশ আমাকে কিছু করতে পারবে না।
এ ব্যাপারে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মাহবুব হোসেন জানান, টাকা দেয়ার কথাটি সম্পূর্ন মিথ্যা। তবে এরা অত্র এলাকার ছেলে পেলে। এদের বিরুদ্ধে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। পুলিশের কোন সদস্য যদি কোন্ সন্ত্রসীদের সঙ্গে আতাত করে নিরীহ জনগণের উপর অত্যাচার করে । তাহলে তাদের ছাড় নেই। আমি এ ব্যাপারে আরো খোজ খবর নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*