ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে ফ্যাসিষ্ট কায়দায় দেশ শাসন করছে: ডা. শাহাদাত হোসেন

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০২ জানুয়ারী ২০১৭, সোমবার: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ২০১৪ইং সালের ৫ জানুয়ারী নির্বাচন ছিল ভোটার বিহীন, একদলীয়, প্রহসন মূলক নির্বাচন। মঈন-ফখরুউদ্দীন গং এর সাথে আতাত করে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে সংবিধান সংশোধন করে একদলীয় নির্বাচন দিয়েছিল। যা ছিল একটি স্বাধীন সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক ইতিহাসে কলঙ্ক জনক।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় ঠিকে থাকার জন্য সব করতে পারে। তারা তত্তাবদায়ক ব্যবস্থার জন্য সারা দেশে জলাও-পোড়াও করছিল। আবার তারাই ক্ষমতায় এসে ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য সংবিদান থেকে তত্বাবদায়ক ব্যবস্থা বাতিল করেছে। শ্বাসক দল ফ্যাসিষ্ট কায়দায় জুলুম, নির্যাতন-নিপিড়ন, গুম-হত্যা, দূর্নিতী-দুশাসন চালিয়ে সারা দেশকে অশান্ত করে তুলেছে। ২০১৪ইং সালের ৫ই জানুয়ারী নির্বাচন দেশে বিদেশে গ্রহণযোগ্য হয়নি। ঐ নির্বাচন বিশ্ব দরবারে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। তাই আমরা প্রতিবারেই ৫ জানুয়ারীকে “গণতন্ত্র হত্যা দিবস” পালন করি।
ডা. শাহাদাত হোসেন নেতৃবৃন্দদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা আগামী ৫ জানুয়ারী সমাবেশের জন্য তিনটি স্থানে প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি চেয়েছি। আমরা আগামী ৫ জানুয়ারীতে কাজীর দেওরী চত্ত্বরে সমাবেশের অনুমতি আশা করছি। তাই আপনারা ৪১টি ওয়ার্ড ও পনেরটি থানা থেকে কালো হাতে নিয়ে সমাবেশে যোগ দিবেন।
তিনি অদ্য ২ ডিসেম্বর বিকাল ৫.০০ ঘটিকার সময় দলীয় কার্যালয় নাছিম ভবনে ৫ জানুয়ারী সমাবেশ উপলক্ষ্যে মহানগর বিএনপি’র উদ্দেগ্যে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএন’পি নেতা সাবেক কমিশনার শামশুল আলম, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম.এ আজিজ, এস.এম সাইফুল আলম, শেখ নূরুল্লা বাহার, মোহাম্মদ আলী, কাজী বেলাল, হারুন জামান, ইসকান্দার মির্জা, আর.ইউ চৌধুরী শাহিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, সবুক্তিগীন সিদ্দীকি মক্কী, ইকবাল চৌধুরী, মনোয়ার বেগম মনি, গাজী মোহাম্মদ সিরাজুল্লাহ, জেলি চৌধুরী, আব্দুল মান্নান, হাজী নবাব খাঁন, এস.এম.জি আকবর, জসিম উদ্দীন জিয়া, হাজী হানিফ সওদাগর, মোহাম্মদ সালাউদ্দীন, আলী আব্বাস খাঁন, মসিউর রহমান শপন, হাজী বেলাল হোসেন, হাজী মোহাম্মদ তৈয়ব, ইউসুফ আলী, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, তৌহিদুস্সালাম নিশাত, হাজী মোহাম্মদ মহিউদ্দীন প্রমুখ।

Leave a Reply

%d bloggers like this: