ভোগান্তির শেষ নেই যাত্রীদের

এমএম রাজা মিয়া রাজু, ০২ জুলাই ২০১৭, রবিবার: ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের কাছ থেকে ৩/৪ গুন বেশী ভাড়া আদায় করা দক্ষিণ চট্টগ্রামে চালক হেলপারদের ট্র্যাডিশনে পরিণত হয়েছে। ঈদের আগে পরে যাত্রীদের জিম্মি করে  তারা এসব অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে নেয়। এতে ঈদে সপরিবারে  বাড়ী ও শহরে ফেরা মানুষের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে গিয়ে বাজেটের ঘাটতি ঘটে। ফলে কর্মীজীবী মানুষ আর্থিক দৈন্যতায় ভোগে। কিন্তু তাদের এই অনিয়ম রোধ করার কেউ নেই। তাদের এই অযৌক্তিক অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কোন হস্তক্ষেপ নেই। ফলে গাড়ীর শ্রমিকরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সব কিছুর নিয়ম কানুন থাকলে ও অতিরিক্ত আদায়ে কোন নিয়মের বালাই নেই। অথচ যাত্রীদের সাথে শ্রমিতদের কোন সংঘর্ষ ঘটলে তা আইনগত এড়িয়ে যাওয়ার সংশ্লিষ্ট বিভােেগর  এখতিয়ার আছে বলে কারো মনে হয় না। কাজেই অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটার আগেই অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার বিষয়টি সমাধা হওয়া উচিৎ বলে সচেতন মহলের ধারণা। তবে  গাড়ীওয়ালা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে একটি পয়সা ও কম নেয় না। কিন্তু তারা যে ৫০টাকার ভাড়া ২শত টাকা  কোন যুক্তিতে আদায় করে নেয়।  ইহা কি যাত্রীদের উপর চাপ পড়েনা?  ঈদের আনন্দ তো সবার জন্য সমান। সূত্রমতে একশ্রেণীর লোক গাড়ীওয়ালাদের লেলিয়ে দিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে নেয়। তারা সংগৃহীত টাকা থেকে ফায়দা লুটে। যাত্রীদের কাছ থেকে গলা কাটা ভাড়া আদায় করা শুধু চট্টগ্রাম কক্্রবাজার সড়কে রয়েছে। এই রেওয়াজ কোথা ও নেই বলে জানা গেছে। তাদের এই মনগড়া ভাড়া আদায়কে কেন্দ্র করে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হবার সম্ভবনা রয়েছে। হয়রানীমূলক এই অযৌক্তিক ভাড়া বন্ধে প্রশাসনের  কঠোর হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: