ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় জাতীয় ডিভিএম ইন্টার্ন গবেষণা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৫ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় জাতীয় ডিভিএম ইন্টার্ন গবেষণা সম্মেলন ও ঔষধ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স হলে “প্রাণির কল্যাণে নবীন ভেটেরিনারিয়ানের ভূমিকা” শীর্ষক এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. আইনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ড. প্রবোধ বরাহ, ইউনিভাসিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার সহযোগী অধ্যাপক ড. জুনিতা জাকারিয়া, ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. রাম কাসিমানিকাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আহসানুল হক এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বহিরাঙ্গণ কার্যক্রম পরিচালক প্রফেসর ড. এ কে এম সাইফুদ্দীন।
সম্মেলনে “প্রাণির কল্যাণে নবীন ভেটেরিনারিয়ানের ভূমিকা” শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল আলম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর কারিগরি পর্বে প্রাণি চিকিৎসা ও পশু পালন বিষয়ে একাধিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যৌথ গবেষণা ও শিক্ষা বিনিময়ের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়কে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে। ইতোমধ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী বিদেশের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টার্নশীপ গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভারতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন, ফুড সায়েন্স এবং ফিশারিজ অনুষদের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদেরকে যোগ্যতর হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ পাচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরণের সুযোগ আরও বৃদ্ধি করা হবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. আইনুল হক বলেন, প্রাণির কল্যাণ নিশ্চিত করতে হলে ভেটেরিনারি পেশায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য সরকারি পদপেক্ষ অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে কর্মরত ভেটেরিনারিয়ানদের সুযোগ সুবিধার বৃদ্ধির পাশাপাশি জনবলের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।
গবেষণা সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হল নবীন ডিভিএম ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে গবেষণার মনোভাব তৈরি করা এবং এর মাধ্যমে প্রাণি কল্যাণ ও জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখা। সেই সাথে দেশের ও বিদেশের ভেটেরিনারি শিক্ষার সমন্বয় ঘটানো।

Leave a Reply

%d bloggers like this: