ব্যাচেলর জীবনে বিভিন্ন ধরণের বুয়া

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : ৯ জানুয়ারি ,২০১৭
ব্যাচেলর জীবন অচল বুয়া ছাড়া! খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করে সেই বুয়াদের প্রকারভেদ করেছেন বিশিষ্ট মেসবাসী ব্যাচেলর রাফি আদনানষ
উচ্চাভিলাষী বুয়া
এই বুয়ারা অর্থমন্ত্রী হলে এত দিনে দেশের অর্থনীতির বারোটা বেজে যেত। বছর বছর উচ্চাভিলাষী বাজেট পাস করে আমজনতার হার্টফেল করিয়ে ছাড়তেন। মেসে এই বুয়াদের এক কেজি চালের ভাত রান্না করতে বললে দেড় কেজি রান্না করে বসে থাকেন। ফলে ৩০ দিনের চাল শেষ হয় ২০ দিনেই।
ছিঁচকাঁদুনে বুয়া
তাঁরা অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ। কোনো কাজে গন্ডগোল বাধালে এক ধমকে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন। কেঁদে মানুষ জড়ো করে ফেলতেও ওস্তাদ তাঁরা! বাংলা সিনেমায় আবেগপ্রবণ মা কিংবা বোনের চরিত্রে খুব ভালো করার সম্ভাবনা আছে তাঁদের।
চিররোগী বুয়া
প্রতি সপ্তাহে তাঁদের অসুখ হবেই হবে। কোনো দিন জ্বর, কোনো দিন মাথাব্যথা, কোনো দিন বাতের ব্যথা। নিতান্তই কোনো দিন অসুস্থ না হলে তাঁদের শাশুড়ির মেয়ের ছেলের বোনের বাবার ভাইয়ের কিছু না কিছু একটা হবেই।

বাজারের ব্যাগধারী বুয়া
এই বুয়ারা বাসায় আসার সময় একটা খালি ব্যাগ নিয়ে আসেন। রান্না করে যাওয়ার সময় ব্যাগটার ওজন আশ্চর্যজনকভাবে কিঞ্চিৎ বেড়ে যায়!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*