বোয়ালখালীতে এক নামজারীর নিষ্পত্তি বিলম্বিত না হওয়ার আশাবাদ প্রকাশ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার: চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর বাদীদের দাখিল করা এক নামজারী মিছ মামলার বিবাদী এক জবাবপত্র হিসেবে আবেদনপত্র পাঠানোর পর মিছ মামলার নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কোনো বিলম্বের সৃষ্টি না হওয়ার জন্য এক আশাবাদ প্রকাশ করেন। জানা গেছে, বোয়ালখালীর শ্রীপুর মৌজাধীন এক সম্পত্তির বিষয়ে উক্ত বিবাদীর নামে সৃজন করা ১৬৪৮ নং নামজারী বি এস খতিয়ানটি বাতিল করে বাদীদের নামে নামজারী বি এস খতিয়ান সৃজন করার জন্য উক্ত ৭৪/২০১৮ ইং নং মিছ মামলাটি দাখিল করা হয়। মিছ মামলাতে বাদী সুভাষ চৌধূরী ও বাদী অসীম কুমার চৌধূরীর পিতা মৃত সাধন চন্দ্র চৌধূরী (দে) হিসেবে উল্লেখ রয়েছে মর্মে জানতে পেরে বিবাদী খোকন চন্দ্র দে মিছ মামলার জবাবপত্র হিসেবে এক আবেদনপত্র ০৩/০৩/২০১৯ ইং তারিখে বোয়ালখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর ৭৭৩ নং রেজিষ্ট্রী এ / ডি ডাকযোগে পাঠিয়ে দেন বলেও জানা গেছে। এভাবে পাঠানো আবেদনপত্রে বলা হয়, উক্ত মিছ মামলা দাখিলের আগে একই সম্পত্তিতে পাকাঘর নির্মাণের বিষয়ে অপর এক নিষ্পত্তি হিসেবে জনৈক বাদী সুমন মাস্টার নিজেরই ভুল বুঝতে পেরে আপত্তিপত্র প্রত্যাহার করেন মর্মে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ১৪/০১/২০১৯ ইং তারিখে এক সিদ্ধান্তপত্র বিবাদী খোকনের কাছে প্রদান করেন। উক্ত পাঠানো আবেদনপত্রে আরও বলা হয়, সহোদর দু’ভাই সুভাষ চৌধূরী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল কোনো পরিচালক অসীম কুমার চৌধূরীর দাখিলী মিছ মামলা অনুসারে উক্ত দে ও চৌধূরী নামক উপাধির মধ্যে কোনো পরিবর্তনজনিত উপাধির সঠিকতা নির্ধারণের জন্য এফিডেভিট বা হলফনামা সংক্রান্ত পত্রিকাবিজ্ঞপ্তির প্রামাণ্য কপিও ন্যায়বিচারের স্বার্থে একান্ত অপরিহার্য্যতা থাকতে পারে বলে বিবাদী খোকনের ধারণা। এদিকে সাধন চন্দ্র দে মারা যাওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৩/৪ মাসের মাথায় অর্থাৎ ০৭/০৩/২০১৮ইং তারিখে জনৈক সুমন মাস্টার উক্ত পাকাঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ০৮ নং শ্রীপুর – খরন্দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যানের কাছে খোকন চন্দ্র দে’র বিরুদ্ধে এক আপত্তিপত্র দাখিল করেছিলেন বলে সূত্র জানিয়েছে। অবশ্য উক্ত সুমন মাস্টার উক্ত আপত্তিপত্রটি দাখিল করার পর থেকে খোকন চন্দ্র দে’র বিভিন্ন হয়রানী বাড়তে থাকা অবস্থায় সুভাষ চৌধূরী ও অসীম কুমার চৌধূরী উক্ত নামজারী মিছ মামলাটি দাখিল করার কাজটি হয়ত “মরার উপর খাঁড়ার ঘা” হয়েই খোকন চন্দ্র দে’র হয়রানী আরও বেশী অসহনীয়ভাবে চলমান থাকার এক পর্যায়ে নামজারী মিছ মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন আইনতঃ খোকন চন্দ্র দে’র পক্ষে যাওয়াটাই স্বাভাবিক বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের ধারণা। এমন কি খোকন চন্দ্র দে উক্ত সিদ্ধান্তপত্র পাওয়ার ১৪/০১/২০১৯ইং তারিখ থেকে পরবর্তী ১৪/০৬/২০১৯ইং তারিখ পর্য্যন্ত ০৫ মাস পার হয়ে যাওয়ার কারণে পাকাঘরের কোনো মৌখিক বা লিখিত বিতর্কের কোনো প্রশ্নের গ্রহণযোগ্যতা আইনতঃ স্বয়ংক্রিয়ভাবেই অচল বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ধারণা। তাই ভোগান্তির শিকার থেকে খোকন চন্দ্র দে’র মুক্তির লক্ষ্যে উক্ত নামজারী মিছ মামলাটির নিষ্পত্তি নিয়ে কোনো বিলম্বের সৃষ্টি না হওয়ার আশাবাদ বাস্তবায়নের জন্য সচেতন মহল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহ ভূমিমন্ত্রীর জরুরী সুদৃষ্টি একান্ত কাম্য হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*