বেশ কিছু ব্যবসায়ীর টাকা নিয়ে প্রতারক হাসান খান মুরাদ উধাও

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭, শনিবার: ব্যবসায়ীর টাকা নিয়ে প্রতারক উধাও। প্রতারক মোহাম্মদ হাসান খান মুরাদ চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও মোহরার জীবন ফকির রোড এলাকার দোস্ত মোহাম্মদ বাড়ীর মৃত আবদুল মোতালেবের পুত্র। সে গার্মন্টেস ব্যবসার মুনাফা দেওয়ার প্রলোভনে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে প্রায় কোটি কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে এ প্রতারক। সরল বিশ্বাসে অনেকেই বিশ্বাস করে কিছুটা মুনাফার আশায় সংসারে সচ্চলতার আনতে প্রতারক মুরাদের গার্মেন্টস এক্সেসোরিস নামক প্রতিষ্ঠানে নিজের জীবনের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে আজ অনেকেই নি:স্ব।
লভ্যাংশ প্রদানের লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন পেশাজীবী লোকদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছেন হাসান খান মুরাদ। অনেকেই লাভের আশা চিন্তা করে ১ লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে গার্মেন্টস এক্সেসোরিসের কথিত ব্যবসায় অংশীদার হয়েছিলেন।
প্রতারণার শিকার একজন চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার উত্তর পশ্চিম গাটিয়াডাংগা গ্রামের মৃত ডা. এস এম হাসানের পুত্র এস এম কামরুল ইসলাম। তিনি গার্মেন্টস এক্সেসোরিসের ৬০% লাভ্যাংশ প্রদানের শর্তে ১৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রদান করেন প্রতারক মুরাদকে। এ রকম নানা জনের কাছে নানা কৌশলে প্রতারণা করে মুরাদ এখন লাপাত্তা। অভিযোগে জানা যায়, গার্মেন্টস এক্সেসোরিসের ব্যবসার কথা বলে বিভিন্ন উপজেলার লোকদের কাছ থেকেই প্রতারণা করে প্রায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে চান্দগাঁও থানায় এস এম কামরুল ইসলাম একটি সাধারণ ডায়েরী ও মামলা দায়ের করেছেন।
পাসপোর্টে দেওয়া তথ্যে তার জন্ম ২ মে ১৯৭৮ ইংরেজি এবং জাতীয় পরিচয় পত্র নং ১৫৯১৯০৫৮০২১৩১, মোবাইল নং ০১৮৩২-৮৩১৩২০ ও ০১৯০৪-৫৮৬৭৭০। তার ব্যবহৃত নাম্বারে সংযোগ পাওয়া যায়নি। প্রতারণার শিকার অনেকেই দাবি করেন, পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা মুরাদকে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নিলে হয়তো টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। চন্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, প্রতারণার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমরা দ্রুত গ্রেফতার করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*