বিমানবন্দর অনিরাপদ হিসেবে তালিকাভুক্ত: মেনন

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১২ জুলাই: বাংলাদেশের বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে অন্যান্য দেশ যে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছে সেগুলো রাজনৈতিক বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারী বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। মঙ্গলবার সকালে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে রাজধানীর সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।mm
মেনন বলেন, আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ আমাদের বিমানবন্দরকে অনিরাপদ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। লন্ডনের ফ্লাইট বন্ধের কথাও বলেছিল। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। লন্ডনের ফ্লাইট যাতে সঠিকভাবে যায় তা নিশ্চিত করা হয়েছে। গত এপ্রিল মাসে এর সম্পূর্ণ দায়িত্ব বাংলাদেশিদের হাতে এসেছে। অস্ট্রেলিয়া কার্গো চলাচল বন্ধ করেছিল। এখন চালু করেছে। তবে থার্ড কান্ট্রি হিসেবে। হঠাৎ করে জার্মানি সিভিল এভিয়েশন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা দিয়ে কার্গো চলাচল বন্ধ করে দেয়। অথচ পরে রিপোর্ট আসে আমাদের নিরাপত্তা যথেষ্ট রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তাই বলছি সিদ্ধান্তগুলো রাজনৈতিক। এ ব্যাপারে ৭টি দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা হবে। আসলে যাদের দেশে গোলাগুলি হচ্ছে তারাই আমাদের দেশের ঘটনাগুলোকে বড় করার চেষ্টা করছে। এর থেকে আমাদের র‌্যাব-ডিজিএফআইসহ অন্যান্য সংস্থাই ভাল।
রেড লাইন সিকিউরিটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিকিউরিটির জন্য রেড লাইনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। রেড লাইন গ্রাউন্ড সিকিউরিটির ৬৮ জন, সুপারভাইজার হিসেবে ৫ জন, কার্গো অপারেটর ক্লিয়ার ৪৯ জন, সিনিয়র কার্গো অপারেটর ৮ জন, ইটিবি অপারেটর ১৫ জন, এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ম্যানেজার ১৯ জন, এবং টিওটি ৬ জন, হোল ব্যাগেজ ক্লিনিংয়ে ৬ জন, কার্গো অপারেটিভ বিমানের কর্মী ২৫ জনসহ মোট ১৭৬ জনকে ট্রেনিং প্রদান করেছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: