বিভিন্ন স্থানে পেট্রলবোমাসহ আটক যুবলীগ-ছাত্রলীগ কর্মী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : দেশের বিভিন্ন স্থানে পেট্ট্রোল বোমাসহ আটক হচ্ছেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। কিন্তু এসব নেতাকর্মীরা ধরা পড়ার পরে পুলিশ ছেড়ে দিচ্ছে বলেp অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জে রূপগঞ্জ উপজেলার সোনাবো এলাকায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মী রহমত (২৪) আহত হয়। বিকেল ৩টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রহমত একই এলাকার লোকমানের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী শাহিনের অফিসে বসে বোমা তৈরি করছিল। এ সময় বোমা বিস্ফোরণে আহত হয় রহমত। কুমিল¬ার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথ দীঘি ইউনিয়নের কেসকি মোড় এলাকা হতে পেট্রোলবোমাসহ দুই যুবলীগ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের নাম মানিক ও বাবুল বলে জানা গেছে। আটক দু’জনই জগন্নাথ দীঘি ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা। এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ১১ টার দিকে ওই দুই যুবলীগ নেতাকে আটক করা হয়। চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার চক্রবর্তী আটকের বিষয় অস্বীকার করে বলেন, রোডে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি পেট্রোলবোমা উদ্ধার করা হয়েছে। কাউকে আটক করা হয়নি। গত বুধবার দুপুর ২টায় মিরপুরে পেট্ট্রোল বোমাসহ আটককৃত ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নেয় পুলিশ। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে একটি অনলাইন পত্রিকা। লক্ষ্মীপুরে সিএনজি ও পিকআপ ভ্যানে পেট্রলবোমা বোমা হামলায় ২ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতারা জড়িত দাবি করে তাদের নাম প্রকাশ করেছে জামায়াত। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, গত রোববার রাতে যাত্রীবাহী সিএনজি ও পিকআপ ভ্যানে পেট্রলবোমা হামলার সাথে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাদের গ্রেফতার করলেও পরে তাদেরকে ছেড়ে দেয় সদর থানা পুলিশ। লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক মহসিন কবির মুরাদ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয় যে, পৗরসভার ৪ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা কামরুল হোসেনের নেতৃতে গত ১ জানুয়ারি রাতে লক্ষ্মীপুর মহিলা কলেজের সামনে যাত্রীবাহী সিএনজিতে পেট্রোলবোমা হামলা চালানো হয়। এ হামলায় অংশ নেয় স্থানীয় দর্জি দোকান কর্মচারী ও যুবলীগ কর্মী পিচ্চি রুবেল, শামীম, মাসুদ ও জেলা ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মুরাদ হোসেন জয়সহ ১০ থেকে ১২ জন। এই ঘটনা এলাকাবাসী প্রত্যক্ষ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়। ফোনে জামায়াতের নেতা এই প্রতিবেদককে জানান, স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় যুবলীগ-ছাত্রলীগ এ কাজগুলো করছে। এসব ব্যাপারে লক্ষèীপুর পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ মিজান শাফিউর রহমান বলেছেন, আওয়ামীলীগের ওই দুই ছেলে পেট্ট্রোল নয় গাড়ি ভাংচুরের মামলার আসামি। কিন্তু বিষয়টা ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে। যে দুজন আটক হয়েছে তাদের মধ্যে একজনের বাবা আওয়ামীলীগ কিন্তু ওই ছেলেটা অরিজিন্যাল শিবির কর্মী। তারা দুজন কারাবন্দি ছিলেন। কিভাবে এত তাড়াতাড়ি জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে সে ব্যাপারে তিনি জেলা জজের সঙ্গেও আলাপ করেছেন বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*