‘বিনামূল্যে বিতরণের জন্য বিভিন্ন অঞ্চলে ৩৫ কোটি বই পাঠানো হয়েছে’

Primary Book-20নিউজগার্ডেন ডেস্ক : প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য ইতোমধ্যে ৩৫ কোটি বই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো Primary Book-20.jpeg-1.jpeg-3.jpeg-4হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ৪ কোটি ৪৪ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা ১ জানুয়ারি সারাদেশে প্রথম থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে বই বিতরণ করব। ইতোমধ্যে ৩৫ কোটি বই বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বই বিতরণে আমাদের এ সফলতা বিশ্বের অনেকেই বিশ্বাস করতে চায় না, কিন্তু আমরা তা পেরেছি। রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে শনিবার দুপুরে ইআইটিএল এ্যাপস প্রতিযোগিতাতে Primary Book-20.jpeg-1প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্ম বিশ্বমানের মেধাবী। আমরা আর্থিকভাবে দরিদ্র হতে পারি, কিন্তু মেধার দিক দিয়ে নয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মেধাবীদের অন্বেষণ করে চলতি বছর প্রায় ৭ হাজার শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে বলেও শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন। শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে দেশ উন্নত হবে না। সে জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা শিক্ষার্থীদের নাগালের মধ্যে কম্পিউটার ও মোবাইল সেবা পৌঁছে দিতে পেরেছি। ২০ হাজার ৫০০ বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস শুরু করেছি। সব ক্লাসরুমেই পর্যায়ক্রমে Primary Book-20.jpeg-1.jpeg-2আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন ঘটানো হবে। আমরা ১০ লাখ শিক্ষককে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ দিয়েছি। দ্রুত সব শিক্ষককেই এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধার অভাবে আমরা দেশের সবচেয়ে মেধাবীদের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে ধরে রাখতে পারি না। তবে দেশের সমস্যার সমাধান দেশের মানুষকেই বের করতে হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান অন্বেষণ করতে হবে।’ বেশ কয়েকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে জানিয়ে নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ৮৬ টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১০-১২টি শুধু অর্থ উপার্জন করছে, কিন্তু শিক্ষা প্রদান করছে না। এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমরা আর ধরে রাখব না। Primary Book-20.jpeg-1.jpeg-3শুধু উচ্চ আদালতের রায়ের কারণে এখনো এগুলো বন্ধ করতে পারছি না। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জামিলুর রেজা চৌধুরী, ইএটিএলের কর্ণধার এম এ মতিন খান প্রমুখ। সেপ্টেম্বর থেকে চলা তৃতীয় ইআইটিএল এ্যাপস প্রতিযোগিতায় প্রায় ২৫০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*