বান্দরবানে প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে বিধবার গাছ কাটলেন আ-লীগ নেতা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৭ মে ২০১৭, বৃহস্পতিবার: বান্দরবানে প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে ছিদ্দিকীনগরে ছখিনা বেগম নামের এক অসহায় বিধবার সেগুন গাছ কেটে ফেলেছে আ-লীগ নেতা। স্থানীয়রা জানান, ছকিনা বেগম ১৯৯১সালে ছিদ্দিকীনগর খাদিজা অহিদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ১একর জায়গান নিজ হাতে সেগুন গাছ রোপন করেন। পরে নিজ সন্তানের মতই এতদিন গাছগুলোকে অতিযতেœ বড় করেন। আর বড় হওয়া গাছগুলোতে প্রভাবশালীদের চোখ পড়তেই ডাঃ মানস ও কিছু প্রভাবশালীমহল লোভ সামলাতে না পেরে হঠাৎ করে ১৫-২০জন শ্রমিক দিয়ে অধিকাংশগাছ কেটে ফেলে।
এ ব্যাপারে ছখিনা বেগম বলেন, ১৯৯১সালে আমি নিজ হাতে গাছগুলো রোপন করি। এতদিন আমি নিজ হাতেই গাছগুলোকে যতœ করে বড় করেছি। এ গাছগুলোকে রক্ষা করার জন্য আমি বিভিন্ন সময়ে মামলা করে জয় লাভ করেছি। কিন্তু হঠাৎ করেই ১৫ই মে ১৭ তারিভ ডাঃ মানস, বশর সওদাগরসহ ১৫-২০জন লেবার এসে আমার লাগানো গাছগুলোকে আমার চোখের সামনে কাটতে থাকে। আমরা বাঁধা দিলে আমাদেরকে ডাঃমানসসহ অন্যান্যেরা অস্ত্রের ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। প্রশাসনের কাছে এর আমি সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।
এ ব্যাপারে ডাঃ মানস এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, এটি হচ্ছে বিদ্যালয়ের জায়গা। মন্ত্রী মহোদয় আমাদেরকে জায়গাটি পরিষ্কার করতে  বলেছে। এখানে আমরা একটা আবসিক ভবন করব। এ অর্থ বছরে হবে না, আগামী অর্থ বছরে হবে। এ গাছগুলো আমরা বশর সওদাগরকে বিক্রি করে দিয়েছি। বশর সওদাগর বোধহয় অনুমতি নিয়েছে। ওনিই কাটছেন। সরকারী বিদ্যালয়ের গাছ হলে গাছ কাটার আগে সরকারী কোন অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারী অনুমোদন নিয়েই তিনি এ গাছগুলো কাটছেন।
এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ রফিকউল্লাহ বলেন, গাছের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার দায়িত্ব বন বিভাগের। তবে আমার কাছে আইনী সহায়তা চাইতে আসলে আমি অবশ্যই আইনী সহায়তা দেব।

Leave a Reply

%d bloggers like this: