বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : বিদায়ী ২০১৪ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১ বছরে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৪৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫০৪ জন নিহত ২,১৪৬ জন আহত হয়েছে। দেশের সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশ পথে যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় কর্মরত বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি”র সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এ রিপোর্ট প্রকাশ করে।  111বাংলাদেশে যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন অনুযায়ী জানুয়ারী মাসে ৪০টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৩৪ জন নিহত ১৩৪ জন আহত হয়। ফেব্র“য়ারী মাসে ২৮ টি সড়ক দূর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত ৬৬ জন আহত হয়। মার্চে ২৭টি সড়ক দূর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ১৪২ জন আহত হয়। এপ্রিলে  ৩৯ টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৪১ জন নিহত ১০৯ জন আহত হয়। মে মাসে ৪৬টি সড়ক  দূর্ঘটনায় ৩৯ জন নিহত ১৫৮ জন আহত হয়। জুনে ৩৫টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৩১জন নিহত ১৯৪ জন আহত হয়। জুলাই মাসে ৪০টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত ২০৭ জন আহত হয়। আগস্টে ৫২টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৫৮ জন নিহত ২১৯ জন আহত হয়। সেপ্টেম্বরে ৬৪ টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৫২ জন নিহত ৩১৬ জন আহত হয়। অক্টোবরে ৫২টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত ২৮৯জন আহত হয়। নভেম্বরে ৩৮টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৪২জন নিহত ১৫৪ জন আহত হয়। ডিসেম্বরে ৩৬টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৩৬জন নিহত ১৫৮ জন আহত হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী গত ১ বছরে দুর্ঘটনাস্থলে সর্বমোট ৪৫৪ জন, হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় 666৪৭ জন, চিকিৎসা শেষে বাড়ী ফেরার পর মারা যায় ১৩ জন। সর্বমোট বিদায়ী বছরে সড়কে প্রাণ কেঁড়ে নিয়েছে ৫০৪ জন নিরীহ যাত্রী, পথচারী, চালক ও পরিবহন শ্রমিক। প্রতিবেদনে দেখা যায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহা সড়কের সীতাকুন্ড, মিরসরাই এবং চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহা সড়কের চকরিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ পটিয়া অংশে সর্বোচ্চ সংখ্যক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আঞ্চলিক সড়ক মহাসড়কে জেব্রাক্রসিং অংকন করা, প্রয়োজনীয় ফুটপাত ও ফুট ওভার ব্রীজ নির্মাণ করা এবং বিদ্যামান ফুটপাত হকার্স মুক্ত করে যাত্রীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা নেয়া, মহাসড়কের হাটবাজার উচ্ছেদ করার দাবী জানানো হয়েছে। একই সাথে সড়ক মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহন এবং ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক লেইন চালু করা, মহাসড়কে নছিমন করিমন, ইজিবাইক, ব্যাটারী চালিত রিক্সা চলাচল বন্ধের দাবী জানিয়েছে সংগঠনটি। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেইন কাজ দ্রুত শেষ করা চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের রোড ডিভাইডার স্থাপন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক সোজা করা হলে সড়ক দুর্ঘটনা সিংহ ভাগ কমিয়ে আনা সক্ষম হবে বলে মনে করে সংগঠনটি।

Leave a Reply

%d bloggers like this: