বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ ফাউন্ডেশনের সভায় সিএমপি কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল সমৃদ্ধশীল চট্টগ্রাম গঠিত হলেই বাংলাদেশের উন্নয়নে চট্টগ্রামের ভূমিকা আরও দৃঢ় হবে

Pic. Jalil mondol Samsul BMPF Pic. ©Amir Hossen Amir Ali Hider pic.নিউজগার্ডেন ডেস্ক
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সভা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এস এম সামছুল হকের সভাপতিত্বে ও বিশিষ্ট লেখক ও কলামিষ্ট আমির হোসেন আমীরের পরিচালানায় ধনিয়ালাপাড়াস্থ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সম্মুখস্থ চত্বরে সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সিএমপি কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, দৈনিক বণিকবার্তার ব্যুরোচীফ ও বিশিষ্ট রাজনীতিক আলী হায়দার, বিশিষ্ট সাংবাদিক কামরুল হুদা। উপস্থিত ছিলেন এম মোস্তফা, বিশিষ্ট রাজনীতিক মোহাম্মদ মহসিন, এডভোকেট তসলিম,  শেখ আবদুল্লাহ হারুন, শ্রমিক নেতা সামশুল ইসলাম আরজু, এহছানুল হক মিলন, মোহাম্মদ হালিম প্রমুখ। চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার আব্দুল জলিল মন্ডল উপস্থিত হয়ে  বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের প্রতি সংহতি প্রকাশ বলেন, মানুষের পাঁচটি মৌলিক অধিকার নিশ্চত করলে রাষ্ট্রে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। কথায় এবং কাজে এক হলে সত্যিকার অর্থে সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা সহজ। তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চট্টগ্রামের চারপাশে মুক্ত বাতাস পেতে চাই, সবুজ দেখতে চাই, পাহাড় দেখতে চাই, সমুদ্র দেখতে চাই। ঝাড়– দিয়ে চট্টগ্রামের দূষণ মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা শুধু লক্ষ নয়, মানুষের অন্তরে কালিমা পরিস্কার করতে চাই। একটি সত্যিকারের দূষণ মুক্ত, অপরাধহীন ও সমৃদ্ধশীল চট্টগ্রাম গঠিত হলেই বাংলাদেশের উন্নয়নে চট্টগ্রামের ভূমিকা আরও দৃঢ় হবে। তিনি আরো বলেন আপনারা আমাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন, তাহলে আমি আপনাদের সহায়তা করতে পারব। খারাপ লোকের, ভাড়াটিয়া সম্পর্কে খবর রাখবেন, অপরাধীদের খোজ দিন। আপনার আশেপাশের রাস্তা পরিষ্কার রাখবেন, ড্রেন পরিষ্কার রাখুন। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম সম্ভবনার দেশ, একানের মানুষগুলো যদি তাদের অধিকর সম্পর্কে সচেতন হন, তাহলে চট্টগ্রাম সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। বক্তব্যের এক পর্যায়ে সিএমপি কমিশনার মাদককে না বলে মাদকের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বাসী দলমত নির্বিশেষে মাদক বিরোধী অভিযানে স্বোচ্ছার হতে হবে। ইভটিজিং, চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সহ বিভিন্ন অপকর্ম মাদকাসক্ত ব্যক্তির অবচেতন মনের উশৃঙ্খলপনা। মাদককে নির্মুল করতে পারলেই সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আসবে।  বক্তারা বলেন মানবাধিকার আন্দোলন বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব গড়ে তুলবে। মানবাধিকার কর্মীরা মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে বিশ্বব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে। একটি মানবিক বিশ্ব কায়েম আজ বিশ্বজনতার দাবি। বাংলাদেশেও নারীর সমতায়ন, শিশু অধিকার রক্ষা ও মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য জন সচেতনতা দরকার। পাশাপাশি সরকারী উদ্যোগ আরও গতিশীল করতে হবে ।  kamrul Pic. BMPF

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*