বাংলাদেশে পাঠকপ্রিয়তা পাচ্ছে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের লেখকদের বই

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৭ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার: বাংলাদেশে পাঠকপ্রিয়তা পাচ্ছে প্রতিবেশি দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশের লেখকদের বই। বিদেশি লেখকদের এই বইগুলো বেশিরভাগই বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর নীলক্ষেতে। তবে নীলক্ষেতে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ বিদেশি বইই পাইরেটেড (অনুমতি না নিয়ে ছাপানো)। এ কারণে লেখকরা পাঠক প্রিয়তা পেলেও পাচ্ছেন না ন্যায্য সম্মানী।1
পরিস্থিতি এমনই যে, গোটা বাজার ঘুরলেও আসল বই দিতে পারেন না দোকানি না। বিষয়টি অনৈতিক হলেও এক ধরনের বৈধতা পেয়ে গেছে স্বস্তা বিবেচনায়। কম টাকায় পাওয়া যায় বলে ক্রেতারা কিছু মনে করেন না, আর বিক্রেতারা দেখেন কেবল তাদেও লাভের বিষয়টা।
বুধবার দুপুরে নীলক্ষেতের ফুটপাতের বইয়ের দোকানে বই দেখছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আশিকুল ইসলাম। ভারতীয় লেখক সমরেশ মজুমদারের ‘উপন্যাস সমগ্র’ দেখছিলেন তিনি। নকল বই প্রসঙ্গে আশিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেখুন নীলক্ষেতে যদি ফটোকপি বই পাওয়া না যেত তাহলে এই বইগুলো আমরা পড়তে পারতাম না। অরজিনাল এক একটা বইয়ের দাম অনেক। দেখা গেছে একটা অরজিনাল বই থেকেই এই নকল বইগুলো বাজার আসছে কিন্তু আমরা তো পড়তে পারছি।’
লেখক সম্মানীর বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আশিকুল বলেন, ‘বই পাইরেটেড হলে সাধারণ লেখকরা তার সম্মানী পান না। এতে করে লেখকদের ক্ষতি হচ্ছে।’
আইরিশ লেখক ক্যসেলিয়া আহেরিন এর বই দখড়াব ৎড়ংরবদ দেখছিলেন কলেজ শিক্ষার্থী আবু বকর সিদ্দিক। তিনি বলেন, ‘দেখুন নীলক্ষেতে অনেক দিন ধরেই আসছি। এই জায়গাটি এমন একটি জায়গা যেখানে বইয়ের জগতের প্রায় সব কিছুই পাওয়া যায়। এখানে বিদেশি বইগুলো যতটুকুই পাওয়া যায় তা পাইরেসির কারণে। পাইরেসির ফলে লেখকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ঠিক কিন্তু এখানের বিক্রেতারা তো ইচ্ছামতই দাম নিচ্ছেন। হাতের এই বইটির অরজিনাল কপি কিনতে গেলে ডলারে হিসেব করতে হবে। আর পাইরেসির কারণে হিসেব হচ্ছে টাকায়। বাংলাদেশের বাজারে বইটা সস্তায় পাচ্ছি কিন্তু অন্যদেশে হলে হয়তো তা পেতাম না।’
ফুটপাতের এক দোকানির বলেন, ‘ আমরা এই বইগুলো পাইকারদের কাছ থেকে কিনি। আমাদের কারণেই অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজের বইও পাওয়া যায় একদম সস্তায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*