বাঁশখালীতে ভোট যুদ্ধে এগিয়ে রেহেনা কাজমী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৪ মার্চ ২০১৯ ইংরেজী, বৃহস্পতিবার: বাঁশখালীর আনাচে-কানাচে প্রতিটি মানুষের পরিচিত মুখ তিনি। অবহেলিত নারীর পথিকৃৎ। কোনো নারী বিপদে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ান সাধ্যমতো। শুধু নারী নন, পুরুষদের বিপদেও ঝাঁপিয়ে পড়তে পিছপা হন না তিনি। সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান রেহেনার মানবতার পাশে দাঁড়ানোর বহুমুখী দৃষ্টান্ত উপজেলার মানুষের মুখে মুখে।
চন্দনাইশ উপজেলার বরমা ইউনিয়নের বরমা ডিগ্রি কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মরহুম এ কে এম সিরাজুল ইসলাম কাজমীর কন্যা রেহেনা আক্তার কাজমী। ১৯৮৯ সালে বাঁশখালী পৌরসভার জলদী মিয়া পরিবারের সন্তান আবুল মনছুর মো. হাবিবের সাথে বিয়ে হয়।
স্বামী আবুল মনছুর মো. হাবিব বর্তমানে চন্দনাইশ উপজেলার বরমা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ। তাঁদের সংসারে দুই সন্তান।
রেহেনা আক্তার কাজমী বঙ্গবন্ধুর ভক্ত আওয়ামী পরিবারের সন্তান। তাঁর পরিবারের আত্মীয়-স্বজনরা বিভিন্ন রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত। সবাই এলাকায় পরিচিত মুখ।
১৯৯৭ সালে বিপুল ভোটে বাঁশখালীর জলদী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে বাঁশখালী উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম কারাগারের বেসরকারি কারা পরিদর্শক নির্বাচিত হন।
এছাড়া তিনি চট্টগ্রাম জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত তিনি।
বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন আলোচিত রেহেনা আকতার কাজমী। তিনি ফুটবল প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জনপ্রিয় এই নেত্রীর পক্ষে সমর্থন আছে সব পেশার ভোটারের। অলি থেকে গলি, গ্রাম থেকে বাড়ি ছুটে যাচ্ছেন। শুধু আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী নয়, সর্বস্তরের জনগণ মানসিকভাবে অনেকটা প্রস্তুত এই নেত্রীকে নির্বাচিত করতে।
দীর্ঘদিন রাজনীতির মাঠে সরব থাকায় সাধারণের মাঝে ব্যক্তিগত গুড ইমেজ গড়ে উঠে। আর এটাই ভোট যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে তার পক্ষে। পারিবারিক ভাবেও প্রচুর সুনাম আছে তাদের। সুখে-দুঃখে রেহেনা কাজমীকে সবার পাশে থাকতে দেখা যায়। বিশেষ ভাবে নারীদের যে অগ্রধিকার দিয়ে থাকেন, এতেই বিশাল ভোট ব্যাংক জমা আছে তার ঝুলিতে। স্থানীয়রা বলছেন, আগামী ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে রেহেনা আকতার কাজমী’র বিজয় অনেকটা নিশ্চিত। ভোটারের আলোচনায় প্রতিপক্ষ প্রার্থীর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা।

Leave a Reply

%d bloggers like this: