বর্ষবরণে যৌন হয়রানি: ওরা কারা?

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : পহেলা বৈশাখে টিএসসি এলাকার সিসি ক্যামেরার ধারণkaara করা ছবি বিশ্লেষণ করে একদল ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে, যাদের একাধিক ঘটনায় নারীদের ওপর যৌন আক্রমণ চালাতে দেখা গেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধারণ করা পুলিশের সিসি ক্যামেরার এক ঘণ্টার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শনিবার একাত্তর টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চাপ দাড়িওয়ালা এক ব্যক্তিসহ তার মতো বেশধারী কয়েকজন ছিলেন আক্রমণের কেন্দ্রে। তবে ওই ব্যক্তিদের কারও পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশের তদন্তেও যৌন নিপীড়কদের শনাক্ত করা যায়নি বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম শনিবার জানিয়েছেন। একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এক ঘণ্টার ভিডিও ফুটেজ বারবার দেখে ও পুংখানাপুক্ষু বিশ্লেষণ করে বুকে হালকা কাজ করা পাঞ্জাবি পরা চাপ দাড়িধারী লম্বা-চওড়া এক ব্যক্তির আচরণ নিয়ে সন্দেহ হয়। পরে এক ঘণ্টার ভিডিওতে প্রায় সব সময়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ফটকের সামনে থাকা ওই ব্যক্তিকে নারীদের ওপর যৌন আক্রমণে দেখা যায়। তার সঙ্গে থাকা একই বেশধারী ১০ থেকে ১২ জনকে চিহ্নিত করার কথাও জানায় একাত্তর টেলিভিশন। ক্লোজ সার্কিটের এক ঘণ্টার ভিডিওতে প্রথম তাকে দেখা যাওয়ার এক ঘণ্টা পর ৬টা ৩৯ মিনিটে আবার দেখা যায় একই রকমভাবে একই স্থানে দাঁড়িয়ে, যেন তিনি কারও জন্য অপেক্ষা করছেন। একাত্তরে টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬টা ৪৮ মিনিটে দুজন নারীর ওপর হামলার সময় ওই ব্যক্তিটিকেও হামলাকারীদের দলে দেখা যায়। তার চার পাশে মাথায় পট্টি বাঁধা দাড়িধারী আরও কয়েকজনকে দেখা যায়, যারাও আগে থেকে ওই স্থানে ছিল। ৬টা ৪৯ মিনিটে রিকশা থেকে এক নারীকে টেনে নামানোর সময়ও ওই ব্যক্তিকে দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। মোট তিনটি ঘটনায় বুকে কারুকাজ করা ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে একাত্তর টেলিভিশন। তার মতো বেশধারী আরও ১০-১২ জনের দলের তৎপরতাও নজরে এসেছে তাদের। সেদিন হামলার প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্র ইউনিয়ন নেতা লিটন নন্দীও সংঘবদ্ধ একটি দলকে যৌন হয়রানি চালাতে দেখার কথা বলেছিলেন। এক নারীর ওপর হামলা ঠেকাতে গিয়ে হাতও ভাঙে তার। ভিডিও ফুটেজে ধরা পড়া ওই ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানতে পারেনি একাত্তর টেলিভিশন। এদিকে ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রতিবেদক ফারজানা রুপাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে। সূত্র : আমাদের সময়.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*