বর্ধিত ভাড়ায় অটোরিকশা, চলছে দোষারোপ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১ নভেম্বর: আজ থেকে রাজধানীতে বর্ধিত ভাড়ায় চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কিন্তু ভাড়া বৃদ্ধির শর্তমতো মিটারে না চলে চালকরা নিজেদের মতো করে ভাড়া হাঁকছেন। আবার ওয়েটিং র্চাজ নিয়ে আছে যাত্রীদের আপত্তি। ফলে নতুন ভাড়া কার্যকরের প্রথম দিনই চালক ও যাত্রীদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি দোষারোপ চলছে। চালকরা বলছেন, ভাড়া ও ওয়েটিং চার্জ ভাড়ানোর কারণে যাত্রীরা মিটারের যেতে রাজি হচ্ছে না। তবে যাত্রীরা বলছে, চালকরা আগের মcng-autorikshwaতোই চুক্তিতে যেতে চান। আবার দেখা যায় জায়গা পছন্দ হলে মিটারে যান, নয়তো যান না। রবিবার সকালে রাজধানীর মালিবাগ, মগবাজার, বাংলামোটর, শাহবাগ, পল্টন ও গুলিস্তান এলাকায় গিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে। সড়কে চলাচল করা বহু অটোরিকশায় মিটার ক্যালিবারেশন করা নেই। আবার মিটার থাকলেও তা না মেনে যাত্রী বহন করছেন অনেকে। চালকরা নির্দেশনা মানছেন কি না সে বিষয়ে অটোরিকশা মনিটরিংয়ের জন্য ওই সব এলাকায় দায়িত্বরত কারো দেখা মেলেনি। মালিবাগ মোড়ে পরিবার নিয়ে অপেক্ষমান হামিদুর রহমান বলেন, “ধানমন্ডি ল্যাবএইড হাসপাতালে যাব, কিন্তু কোনো সিএনজিচালক সেদিকে যেতে চাচ্ছে না। অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষায় আছি। চালকরা জায়গা পছন্দ হলে মিটারে যাবে, না হলে যাবে না।” তবে মিটারে গেলেও যাত্রীদের অভিযোগ রয়েছে অপেক্ষমান ভাড়া নিয়ে। তারা অভিযোগ করে বলেন, অপেক্ষমান ভাড়া অতিরিক্ত হয়েছে। তারা এর পুনর্মূূল্যায়ন দাবি জানান। মিটারে না যাওয়ার বিষয়ে চালকদের দাবি, তারা মিটারে যেতে চান, কিন্তু যানজটে পড়লে যাত্রীরা নেমে যান। অপেক্ষমান ভাড়া প্রতি মিনিট দুই টাকা করায় যাত্রীরা নেমে পড়েন বলে জানান তারা। আবুল কাশেম নামের একজন চালক জানান, “আমরা তো মিটারে যেতে চায়। সরকার মালিকদের জমা বাড়িয়ে ৯০০ টাকা করছে। কিন্তু মালিকরা এখন আরো বেশি টাকা দাবি করছে। তাই আমি মিটারের না গিয়ে চুক্তিভিত্তিক যেতে চায়। সরকার যদি বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তবে মিটারে যেতে সমস্যা নেই।” আবুল কাশেম আরো বলেন, যাত্রীরাই মিটারে যেতে চান না। ভাড়া বৃদ্ধি ও ওয়েটিং চার্জ বাড়ানোর কারণে যাত্রীরা মিটারে না গিয়ে দর-কষাকষির মাধ্যমে যেতে বেশি পছন্দ করছেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর বিআরটিএর এক সুপারিশের ভিত্তিতে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া বাড়ানো হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অটোরিকশার প্রথম দুই কিলোমিটারের জন্য ভাড়া ঠিক করা হয়েছে ৪০ টাকা, যা আগে ২৫ টাকা ছিল। প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ৭ টাকা ৬৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১২ টাকা করা হয়েছে। যানজট বা অন্য কোনো কারণে আটকে থাকলে প্রতি মিনিট বিরতির জন্য গুনতে হবে ২ টাকা করে, আগে যা ১ টাকা ৪ পয়সা ছিল। গাড়ির দৈনিক জমার পরিমাণও বেড়েছে। মালিকের জমা বাবদ এখন প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০০ টাকা করে দিতে হবে চালককে, এত দিন যার পরিমাণ ছিল ৬০০ টাকা। সূত্র: ঢাকাটাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*