বগুড়া ও হবিগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে অন্তঃসত্ত্বা মা শিশুসহ নিহত ৪

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : বগুড়ায় মধ্যরাতের কালবৈশাখী ঝড়ে habigongদুই নাইটগার্ড নিহত হয়েছে। নিহতরা হলো জেলার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্যা ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের বাদল কাজী (৫৫) এবং সদরের আশোকোলা উত্তরপাড়ার (ঘাসুরপাড়া) মৃত সুলতান এর পুত্র বেলাল হোসেন প্রাং (৫০)। এছাড়া ঝড়ে বাড়িঘর, গাছ-পালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টার পর বগুড়া জেলার উপর দিয়ে প্রচন্ড বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, রাত ১২টা ২ মিনিট থেকে ১২টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত ৩ মিনিট স্থায়ী ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৫৬ কিলোমিটার। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, সোনাতলার পাকুল্যা ইউনিয়ন নিশ্চিন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা বাদল কাজী স্থানীয় বিলে নৌকায় চড়ে পাহারাদারের কাজ করছিলেন। ঝড়ে নৌকা উল্টে গেলে বাদল কাজী পানিতে ডুবে যায়। বুধবার সকালে জাল টেনে লাশ উদ্ধার করা হয়। সোনাতলা থানার ওসি সেলিম হোসেন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে, সদর উপজেলার বাঘোপাড়ায় লাভা ইটভাটার শ্রমিকদের শোবার ঘরের দেয়াল ধ্বসে নাইটগার্ড বেলাল হোসেন প্রাং মারাত্মক আহত হন। ভোরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া মধ্যরাতের ঝড়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ীঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। অনেক বাড়ীর মাটির দেয়াল ধ্বসে গেছে। অসংখ্য গাছ-পালা উপড়ে গেছে। ঝড়ের পর প্রায় ৯ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল গোটা শহর। অন্যদিকে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বাদাউড়ি গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে অন্ত:সত্ত্বা মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন-বানিয়াচং উপজেলা সদরের উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের বাদাউড়ি গ্রামের ফজল মিয়ার আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী নুরজাহান বেগম (২২) ও তাদের ছেলে রবিন মিয়া (৪)। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বানিয়াচংয়ের ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। এসময় ফজলের বাড়ির পশ্চিম পাশের একটি কড়ই গাছ ভেঙে তার টিনশেড ঘরের ওপর পড়ে। এসময় গাছ ও ঘরের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার স্ত্রী ও ছেলের মৃত্যু হয়। বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্মলেন্দু চক্রবর্তী জানান, খবর পেয়ে বুধবার সকালে বানিয়াচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সূত্র : শীর্ষ নিউজ ডটকম

Leave a Reply

%d bloggers like this: