ফিল্মি কায়দায় কব্জা করা হলো হামলাকারীকে

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১০ নভেম্বর: রাজধানীর কচুক্ষেতে মিলিটারি পুলিশ সদস্য সামিদুল ইসলামকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার পর হামলাকারীকে প্রায় এক কিলোমিটার ধাওয়া করে ধরা হয় স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায়।capture
আটক করার পর তাকে ডিজিএফআইয়ের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কোপানোর পর তার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা এবং পরে তাকে আটক করার কথা জানা যায় এক প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানিতে। কথা হয় কাফরুল থানা এসআই মেহেদী হাসানের সঙ্গে। তিনি ফোনে জানান, ছেলেটির বয়স ৩০-৩৫ বছরের মতো হবে। তিনি বলেন হামলা করার পর পরই সে ধারালো চাপাতি নিয়ে দৌড় দিয়ে পাশেই কাফরুল স্কুল সড়কে ঢোকে।
খয়েরি রঙের ফুল হাতা শার্ট আর চেকের লুঙ্গি পরা যুবক ধাওয়া খেয়ে প্রথমে আরমান সাহেবের বাসা গলির ২৩৯/২ নম্বর বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়ান। প্রায় দুই ফুট লম্বা ছুরি নাড়াতে নাড়াতে তিনি ধাওয়াকারীদের উদ্দেশে বলতে থাকেন, ‘কেউ সামনে আসবি না, আসলে কোপাব’। তারপর ওই যুবক সেখান থেকে বের হয়ে উত্তর কাফরুল উচ্চ বিদ্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন। তবে শ্যামাপূজা উপলক্ষে বিদ্যালয়টি বন্ধ থাকায় তিনি সেখানে ঢুকতে পারেননি। চলে যান পাশের গলির ২৩৯/২/খ নম্বর বাড়িতে। ওই বাড়ির প্রধান ফটক খোলা ছিল। ভবনের কলাপসিবল গেটও খোলা ছিল। তিনি দৌড়ে ওই ভবনের পাঁচতলায় ওঠে যান। ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করেও পারেননি। ছাদের দরজা বন্ধ ছিল। এর মধ্যে কাফরুল থানার পুলিশ, মিলিটারি পুলিশ, সামরিক বাহিনীর সাদা পোশাকের কর্মকর্তারা ওই বাড়ির সামনে অবস্থান নেন।
ওই যুবক পাঁচতলায় থাকার সময় বাড়িটির দারোয়ান হারুনুর রশীদ ভবনের কলাপসিবল গেট আটকে দেন। পরে ‘নেমে না এলে গুলি করা হবে’ এমন হুমকি দেওয়ার পর তিনি নিচে নেমে আসে। ছাদ থেকে নেমে আসার পর ছোড়াসহ তাকে আটক করা হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজনও তাকে ধরতে এমপিদের সহযোগিতা করে। হামলাকারীর নাম জানা যায়নি। হামলাকারীকে ডিজিএফআই কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সূত্র: ঢাকাটাইমস

Leave a Reply

%d bloggers like this: