প্রযোজক সমিতির নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা যেন কাটছেই না

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৮ মে: প্রযোজক সমিতির নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা যেন কাটছেই না। বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে প্রযোজক সমিতির আকাঙ্খিত নির্বাচন। এদিকে ২৮মে’র নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে আজ পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে দুই প্যানেল।p
২০১৩’র পর বেশ কয়েকবার প্রযোজক সমিতির নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা শেষ পর্যন্ত হয়নি। সর্বশেষ এ বছরের ২৮ মে প্রযোজক সমিতির নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী আব্দুল আজিজ-কিবরিয়া লিপু ও খোরশেদ আলম খসরু-শামছুল আলম প্যানেল প্রস্তুতিও নিয়েছিল। কিন্তু তাঁর দু’দিন আগেই দুই প্যানেল সমঝোতার মাধ্যমে জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্নধার আব্দুল আজিজকে সভাপতি ও শামছুল আলমকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার একদিন যেতে না যেতেই শোনা যায়, তিন মাসের জন্য নির্বাচন স্থগিত করেছে আদালত। কারণ নাসির উদ্দিন নামে একজন প্রযোজক সমঝোতার বিরুদ্ধে রিট আবেদন করেন।
এদিকে এই ঘটনায় আজ পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে দুই প্যানেল। আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে খসরু-শামছুল আলম প্যানেল অপরদিকে সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন আব্দুল আজিজ-লিপু প্যানেল।
পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করা প্রসঙ্গে খোরশেদ আলম খসরু প্রিয়.কমকে বলেন, ‘আমরা সিনেমার উন্নয়নের জন্য সমঝোতার মাধ্যমে আমরা আব্দুল আজিজকে সভাপতি নির্বাচিত করেছিলাম। কিন্তু উনার চক্রান্তেই আমাদের সেই সমঝোতা ভেস্তে গেছে। যে নাসির উদ্দিন মামলা করেছেন উনি আসলে জাজেরই লোক। কারণ ‘অনেক দামে কেনা’ ছবি জাজের ব্যানারে হলেও সেটার মূল প্রযোজক ছিলেন নাসির। আমরা এই সমস্ত চক্রান্তের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্যই আজ সংবাদ সম্মেলন ডেকেছি।’
অপরদিকে নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। তারাও জানিয়েছে এমন চক্রান্তে তারা বিস্মিত।
সংবাদ সম্মেলন ও চক্রান্তের ব্যাপারে আব্দুল আজিজ বলেন, ‘যা বলার আমরা সংবাদ সম্মেলনেই বলব। আর আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে আমি চক্রান্ত করছি এটা ভুল। আমরা কোনো চক্রান্ত করছি না। নাসিরের ছবি আমরা রিলিজ দিয়েছি তার মানে এই নয় যে নাসির আমাদের লোক। আমরা ইন্ডাস্ট্রির আরও অনেকের ছবি রিলিজ দিয়েছি জাজ থেকে সেটা ধরলে ইন্ডাস্ট্রির সব প্রযোজকই আমাদের। তবে যা হয় তা মঙ্গলের জন্যই হয়। এবার আশা করি বৈধ উপায়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
উল্লেখ্য সর্বশেষ ২০১১ সালে প্রযোজক সমিতির নির্বাচন হয়েছিল। এরপর ২০১৩ সালে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সে পরিষদ বাতিল করা হয়। এরপর থেকে একজন প্রশাসকের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে প্রযোজক সমিতির কার্যক্রম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*