প্রকৃতির প্রতিশোধ

আমিনুল হক শাহীন, ০৫ জুলাই ২০১৭, বুধবার: ছোটকালে আমরা পড়েছি, আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তাই নিয়ে আমাদের পরিবেশ। কিন্তু ছোট সময়ের সেই পড়া আমাদের বড় হয়ে আর মনে থাকেনা ও মনে ও পড়েনা। আজ যে অবিরাম বৃষ্টি পাত,ভয়াবহ পাহাড় ধস, ভূমিকম্প, বন্যা আবার দীঘ দিন অনাবৃষ্টি তা আমাদের প্রকৃতির প্রতি করুন আচারনের বহিঃ প্রকাশ। পাহাড় ধসে এত মানুষ মরছে, তার পরে ও অবাধে পাহাড় কাটছে পাহাড় খেকোরা।নামে বেনামে পাহাড় নিয়ে চলছ প্লট বাণিজ্য। গাছ পালা -বন ভূমি উজার হচ্ছে বেবিচারে।বৃক্ষ রোপনের বাধ্যতামূলক আইন আমাদের দেশে আছে কিনা আমার জানা নেই। যদি থাকে তাহলে আইনের প্রয়োগ দরকার। সবুজের বনায়ন বেশি বেশি প্রয়োজন, তানা হলে প্রকৃতির প্রতি অত্যাচার আমাদের ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এর পরে আসুন নগরীর ছোট বড় খাল গুলোর কথা, যেগুলো দিয়ে বৃষ্টির পানি সহজে নেমে যেতো,সেই খাল গুলোর এখন আর হদিস ই খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। খাল দখল করে তার উপরে গড়ে উঠেছে বহুতল অট্টালিকা, খালগুলো প্রভাবশালীদের পেটের ভিতরে।জলাবদ্ধতা এক ধরনের এর মাধ্যমে সৃষ্টি। নগর পরিকল্পনা বিদরা আধুনিক নগরায়ন গড়ে তুলতে একের পর এক ফ্লাই ওভার – উড়াল সেতু গড়ে তুলছেন, যা উন্নয়নের রোল মডেল।কিন্ত সমতলের খবর কি? আপনার গোড়াই যদি গলদ থাকে তাহলে উপরের উন্নয়ন লাভ কি? নিচ তো জোয়ারের পানিতে, জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত। শুধু তাই নয়, সময়ের প্রয়োজনে আমরা সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আমাদের কারণে অকারণে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্য ঘটে। যেমন বায়ু দূষন, শব্দ দূষণ, পানি দূষন থেকে শুরু করে নানা বিদ বিষয় পরিবেশের ক্ষতি বিপরূপ প্রভাব ফেলে, এখনই আমাদের সচেতনতা প্রয়োজন। আমরা এখন কোথায় যাচ্ছি সেটা বড় বিষয় নয়,বড় বিষয় হলো আমরা কি করছি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আমরা কতটুকু সচেতন। যদি একটি জরিপ করা হয়, দেখা যাবে এক হাজার জনের মাঝে প্রতি বছর একজন গাছ রোপন করে কিনা সন্দেহ আছে। অথচ প্রতিদিন টনকে টন গাছ কেটে বনভূমি উজার করা হচ্ছে। তাহলে প্রাকৃতিক দূর্যোগ আমার দেশে না হয়ে আরেক দেশে হবে?

 

Leave a Reply

%d bloggers like this: