প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ইংরেজী, শুক্রবার: আজ ৪ অক্টোবর’১৯ তারিখে দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ‘চট্টগ্রামে চোর চক্রের গডফাদার যুবলীগ নেতা রানা স্বীকারোক্তিমূলক জবান বন্দিতে সেলুর তথ্য’ বিষয়ক সংবাদটি আমি আলহাজ্ব মোহাম্মদ তরিকুর ইসলাম রানার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। তা সবৈর্ব মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি এ সংবাদ’র তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যিনি আমার বিরুদ্ধে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এর পিছনের কারণগুলো পর্যালোচনা করলেই এই সোহেল রানা (সেলু)’ যিনি নিজ মুখে তার চুরীর গডাফাদার হিসেবে অপরাধ স্বীকার করে বহুবার কারাবাস করেছেন সেই অপরাধী সেলুর সম্পূর্ণ ইতিহাস বের হয়ে আসবে। অতীতে তার অপকর্মের ব্যাপারে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে।

দৈনিক সমকাল, দৈনিক আজাদী, দৈনিক পূর্বকোণ, দৈনিক সাঙ্গুসহ বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা গুলোতেও ফলাও ভাবে তার অপকর্মের সংবাদ প্রকাশিত হয়। দীর্ঘদিন যাবত তার পিতা আমাদের কেয়ারটেকার ছিল। পরবর্তীতে তার অপকর্ম প্রকাশিত হলে আমাদের পরিবার হতে তাদের চাকুরীচ্যুত করা হয়। ফলে বিভিন্ন সময় মাস্তানি উপায়ে সে আমাকে আমাদের সম্পত্তি হতে ২ গন্ডা তার নিকট লিখে দিতে চাপ দেয়। পরবর্তীতে আমি রাজি না হলে সে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে তার অপকর্মের কারণে গ্রেফতার হলেই উদ্দেশ্য মূলকভাবে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। কাজেই প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে আমি জোড়ালো প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং গতকাল ২ অক্টোবর দৈনিক আজাদী পত্রিকায় প্রকাশ পায়, ৩০ আগস্ট কোতোয়ালী থানা পুলিশ দেওয়ানবাজার এলাকা থেকে পশ্চিম বাকলিয়া এলাকায় শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানার প্রকাশ সেলুকে গ্রেফতার কর্ েকোতোয়ালী থানার ওসি আজাদীকে জানান তিনি দলীয় সভা সমাবেশে বিশাল মিছিল নিয়ে অংশ গ্রহণ করেন। বাকলিয়া বগার বিল এলাকায় তার নিজস্ব অফিস রয়েছে। এলাকার লোকজন জানান তার সাথে রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশের সম্পর্ক রয়েছে। এ কারণে তাকে ভয়ে সমীহ করেন। গত ৩১ মে দৈনি প্রথম আলোতে প্রকাশিত সংবাদটি পড়লেই সকলের কাছে তার অবৈধ কর্মকান্ডের বিষয়ে পরিষ্কার হয়ে যাবে। সংবাদটি ছিল “সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে ইয়াবা ব্যবসা” যেখানে তার অপকর্মের ব্যাপারে সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে। কাজেই এখানে আমরা সকলেই বর্তমানে অবগত যে অপরিচ্ছন্ন নামধারী যুবলীগ কথিত নেতারা যখন তাদের অপকর্মসহ র‌্যাব ও পুলিশের অভিযানে ধরা পড়ছে। তখন তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে যারা সামাজিকভাবে এলাকা ভিত্তিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল মূলত তারাই আজ প্রতিশোধের নেশায় অন্যের স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য হুমকীর কারণ ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছে। কাজেই সুশীল সমাজের পরিচ্ছন্ন ইউনিট আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তার বক্তব্যের ও প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি সমাজের সকল প্রশাসনসহ সকল মহলকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকার জন্য অনুরোধ করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*