পশ্চিম পটিয়া-কর্ণফুলী ও বান্দরবান এলাকায় দুগ্ধ পল্লী গড়ে তোলা হবে : অতিরিক্ত সচিব মজিদ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব একেএম বদরুল মজিদ বলেছেন, চট্টগ্রামের পশ্চিম পটিয়া-কর্ণফুলী ও বান্দরবান এলাকায় দুগ্ধ পল্লী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। খামারীদের দাবির প্রেক্ষিতে পশ্চিম পটিয়া-কর্ণফুলী এলাকায় Milk Vita 9.5.15বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় লিমিটেডের (মিল্ক ভিটার) পূর্ণাঙ্গ কারখানা বাস্তবায়ন করা হবে। পূর্ণাঙ্গ কারখানা নির্মাণ হলে খামারীরা যেমনি লাভবান হবেন তেমনি মিল্ক ভিটার সকল পণ্য চট্টগ্রামে বাজারজাত করা সহজ হবে। শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরকান মহা সড়কের সিডিএ আবাসিক এলাকার পাশে মিল্ক ভিটার পূর্ণাঙ্গ কারখানার প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মিল্ক ভিটার পরিচালক ও পশ্চিম পটিয়া-কর্ণফুলী ডেইরী এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন হায়দার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি চীফ মো. হুমায়ুন কবির, দুগ্ধ সমবায় সমিতির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার চৌধুরী, মো. হারুন চৌধুরী নেভী, পশ্চিম পটিয়া-কর্ণফুলী ডেইরী এসোসিয়েশনের কার্যকরী সভাপতি জানে আলম, পটিয়া দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, দুগ্ধ সমবায় সমতির সভাপতি মুছা আদর্শ, বেলাল আহমদ, রিদোয়ান, আবদুল মান্নান, মো. ফোরকান, মাহমুদ হোসেন, মাঈনুদ্দিন, সালাউদ্দিন, মো. হারুন, মো. রাসেল, আবদুর রহিম, আজিজুর রহমান পারভেজ। মিল্ক ভিটার পরিচালক নাজিম উদ্দিন হায়দারের দুগ্ধ খামার পরিদর্শন করে সচিব সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এখানকার প্রান্তিক খামারীদের সুবিধার্থে যা যা করা দরকার তা শীঘ্রই বাস্তবায়ন করা হবে। তাছাড়া অতিরিক্ত সচিব বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বান্দরবান, নোয়াখালী, সুবর্ণচর, রামগঞ্জ, রায়পুরসহ চট্টগ্রামের বিভাগের সিলিং প্ল্যানের দুধ পটিয়ার পূর্ণাঙ্গ কারখানায় সরবরাহ করা হবে। মিল্ক ভিটার পরিচালক নাজিম উদ্দিন হায়দার বলেন, পটিয়ায় মিল্ক ভিটার পূর্ণাঙ্গ কারখানা হলে চট্টগ্রামের দুধ চট্টগ্রামে বাজারজাত করা হবে। বর্তমানে পটিয়ার দুগ্ধ শীতলকরণ কেন্দ্রের দুধ ঢাকার মীরপুরের কারখানায় প্রসেসিং করে তা চট্টগ্রামে বাজারজাত হয়। ফলে প্রতি লিটার দুধে ১৮ টাকা খরচ অতিরিক্ত ব্যয় হয়। পটিয়ায় পূর্ণাঙ্গ কারখানা বাস্তবায়িত হলে অতিরিক্ত টাকা প্রতি লিটার দুধে খামারীদের বাড়তি দিলে ৫০-৬০ হাজার লিটার সংগ্রহ করা যাবে। ফলে বেকারত্ব দূরের পাশাপাশি প্রান্তিক খামারীরা লাভবান হবে। মিল্ক ভিটার পরিচালকের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত সচিব একেএম বদরুল মজিদ পূর্ণাঙ্গ কারখানা দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: