নির্বাচন কমিশনকে সক্রিয় হতে হবে: বদিউল আলম মজুমদার

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২১ জুন ২০১৭, বুধবার: ভোটার সংখ্যার ওপর নির্ভর করে নির্বাচনী আসন পুনর্বিন্যাস হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক, সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। এতে ভোটারদের প্রতি জনপ্রতিনিধিরা আরো বেশি দায়িত্ববান হতে পারবেন বলে মনে করেন তিনি। মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার একে এম নুরুল হুদা বলেছেন, আগামী নির্বাচনের আগে সংসদীয় আসনের সীমানা ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে পুননির্ধারণ করতে চায় নির্বাচন কমিশন। নতুন এ পদ্ধতির জন্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে বদিউল আলম মজুমদার টিভিএনএ নিউজকে বলেন, জনসংখ্যার তালিকা হালনাগাদ হয় প্রতি ১০ বছর অন্তর একবার। অপর দিকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ হয় প্রতি বছর। এ কারণে ভোটার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে জাতীয় সংসদের আসন পুনর্বিন্যাস যৌক্তিক হবে। যেহেতু ভোটাররাই জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন। সে কারণে ভোটারের ভিত্তিতে আসন সংখ্যা ঠিক হওয়া উচিত।
মূলত শহর এলাকার জনসংখ্যা বাড়তে থাকার কারণে অল্প এলাকায় বেশিসংখ্যক নির্বাচনী আসন বরাদ্দ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে গ্রামে বসতি কমে যাওয়ায় বিরাট এলাকা নিয়ে সংসদীয় আসন হচ্ছে। এতে শহরের তুলনায় গ্রামের জনগোষ্ঠী বঞ্চিত হচ্ছে। বড় এলাকা নিয়ে সীমানা হওয়ায় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষে কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য কমিশন এবার ভোটারসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বিন্যাস করতে চায় বলে ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সুজন সম্পাদক বদিউল আলম বলেন, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে কি না তার উপর নির্ভর করে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার ওপর। এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে সক্রিয় হতে হবে। বিশেষ করে সরকারকে এই ব্যাপারে আন্তরিক হতে হবে এবং সরকারকে এই ব্যাপারে এগিয়ে আসতে হবে। এটার সাথে আমার মনে হয় না রোড ম্যাপ তৈরি করার খুব একটা প্রয়োজন আছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়ে অনেকেরই অনেক রকম প্রশ্ন আছে জানিয়ে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, এই প্রশ্নগুলো সমাধান হবে তাদের (ইসি) আচরণের মাধ্যমে। আমরা আশা করি যে, তার নিরপেক্ষতা এবং সাহসিকতার সাথে জনগণের স্বার্থে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এর ফলে নির্বাচন কমিশনের উপর থেকে আস্থাহীনতা দুর হবে। এটাই সবার প্রত্যাশা।

Leave a Reply

%d bloggers like this: