নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থাই রাজনৈতিক সংকট উত্তরনের উপায়: মুসলিম লীগ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২০ মে ২০১৭, শনিবার: নির্বাচন কালীন সর্বজন গ্রহণযোগ্য সরকার ব্যবস্থাই আশু রাজনৈতিক সংকট ও সংঘাত থেকে উত্তরনের একমাত্র উপায় বলে মন্তব্য করেছেন ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নেতৃবৃন্দ। আজ সকাল ১১.০০ টায় দলের পল্টনস্থ প্রধান কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল আজিজ হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় দেশের বর্তমান বিরাজমান রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতির উপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে বর্তমানে নির্বাচনের আবহ বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন আগামী ২০১৮ সালের ২৮শে ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঘোষনা করেছে। জনগনও একটি সর্বজন গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। অথচ নির্বাচন কালীন সরকার ব্যবস্থা কি হবে তা নিয়ে এখনও সরকারী ও বিরোধী দলগুলোর কোন সংলাপ-আলোচনা হচ্ছে না। আলোচনা ছাড়া নির্বাচন কালীন গ্রহণযোগ্য সরকার ব্যবস্থার রূপরেখা বেরিয়ে আসবে না। এর অর্থ হচ্ছে নির্বাচনের ঠিক পূর্ব মূহুর্ত থেকেই জনগনকে জিন্মি করে সংঘাতের রাজনীতি শুরু হওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করে রাখার একটি অপকৌশল বলে মুসলিম লীগ মনে করছে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, জনগনের ভোটে কেউ যদি নির্বাচিত না হয়ে ক্ষমতা আকড়ে রাখতে চায় তাহলে জনগনের আগামী দিনের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার দাবী গণ আন্দোলনে রূপ নেবে বলে মুসলিম লীগ মনে করে।
সভায় সাংগঠনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। দায়িত্ব পালনে সময় দিতে অক্ষম তাকায় দলের সভাপতি জুবেদা কাদের চৌধুরীরে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার প্রেসিডিয়ামের প্রস্তাব কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভায় অনুমোদিত হয় এবং দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল আজিজ হাওলাদার স্বাস্থ্যগত কারণে স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেয়ায় স্ট্যা-িং কমিটির চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য বদরুদ্দোজা আহমেদ সুজাকে সভায় সর্ব সন্মতিক্রমে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব অর্পন করা  হয়।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, সাবেক এম.পি বদরুদ্দোজা আহমেদ সুজা, প্রেসিডিয়াম সদস্য বাক্ষ্রনবাড়ীয়ার আতিকুল ইসলাম, নাটোরের শহীদ চৌধুরী, বরিশালের মাওলানা কারামত ফরাজী, খুলনার ওয়াজের আলী মোড়ল, স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য শরীয়তপুরের আনোয়ার হোসেন আবুড়ী, চাঁদপুরের আফতাব হোসেন স্বপন। এছাড়াও চট্টগ্রামের মুরতুজা আলী চৌধুরী, ময়মনসিংহের আকবর হোসেন পাঠান, ঢাকার মোঃ কুদরতউল্ল্যাহ, বাগেরহাটের এস.এইচ খান আসাদ ও শেখ এ সবুর, ঢাকার এডভোকেট হাবিবুর রহমান, আবুল কাশেম হাওলাদার, ঝালকাঠির আবদুল খালেক, ঢাকার আবু বক্কর সিদ্দীক, ফারুক আহমেদ, রংপুরের কাজী লুৎফর রহমান, কুড়িগ্রামের খাইরুল আলম, বরগুনার মিঞা মোঃ আল আমিন, এডভোকেট বদরুদ্দোজা ডালিম মতিউর রহমান পাঠান, খোন্দকার জিল্লুর রহমান, মোঃ মাসউদুর রহমান, লক্ষীপুরের এডভোকেট জসীমউদ্দিন, খান নাজমুল হোসেন, খান খসরুল ইসলাম রানা, ময়মনসিংহের হাসমতউল্ল্যাহ শেখ, চট্টগ্রামের লিয়াকত আলী, আবুল কাশেম হাওলাদার, কাজী এ.এ কাফী, শহুদুল হক ভূঁইয়া, খুলনার অধ্যাপক জাকির হোসেন, লিয়াকত আলী, আবদুল্লাহিল হাই, বিশেষ অতিথি কাজী আশফাক প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*