‘নাগরিক সচেতনতায় অগ্নিদুর্ঘটনা প্রতিরোধ সম্ভব’

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৮ এপ্রিল ২০১৯ ইংরেজী, বৃহস্পতিবার: ডিআই পলিটিক্যাল ফেলো এলামনাই এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এর সার্বিক সহযোগিতায় অগ্নিদুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও নিরাপত্তায় করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক বৃহষ্পতিবার কাজীরদেউরিস্থ ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ব্যাবস্থাপক মোঃ সদরুল আমিন এর সভাপতিত্বে ও প্রকৌশলী সনাতন চক্রবর্তী বিজয় এবং জসিম উদ্দিন চৌধুরী’র সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাগমনিরাম ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সিডিএ বোর্ড মেম্বার গিয়াস উদ্দিন, ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সিডিএ বোর্ড মেম্বার হাসান মুরাদ বিপ্লব, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর আবিদা আজাদ ও জেসমিনা খানম, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জোন-৩ এর উপ সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রামের পরিচালনা পর্ষদ সদস্য বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার,সমাজ কর্মী এম এ হাশেম রাজু, সাবেক সিভিল সার্জন মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সরফরাজ খান চৌধুরী বাবুল, স্থপতি ইন্সটিউশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সেমিনার বিষয়ক সম্পাদক স্থপতি বিজয় শংকর তালুকদার, এডভোকেট সাইফুন্নাহার খুশি, চট্টগ্রাম ডেকোরেটার্স মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল আলম চৌধুরী মিল্টন, পূর্বা’র উপদেষ্টা অধ্যক্ষ উত্তম কুমার আচার্য, প্রকৌশলী আসিফ উদ্দিন রিমন, বিটা স্বেচ্ছাসেবক নাজমুল হুদা, দৈনিক ইত্তেফাকের স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম শামীম, জাতীয় ছাত্র সমাজ চট্টগ্রাম মহানগরের সাবেক আহবায়ক ইরশাদুল হক সিদ্দিকী, ডিআই ফেলো তাজলিনা আক্তার মনি, রাশেদুল হক চৌধুরী খোকন, ইরফানুল হাসান রকি, মোঃ আরিফ, তাসরিফুল ইসলাম জিল্লু, মোঃ সাইফুল আলম, মাহমুদুল ইসলাম রাসেল, উদ্ধারকর্মী মোঃ ইমরান হোসেন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিআই প্রোগ্রাম এ্যাসিস্টেন্ট নূর ই জান্নাত মুন।
গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, আগুন সভ্যতাকে গতি দিয়েছে ঠিক তবে, এর অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার প্রকৃতি ও মানব সভ্যতার জন্য কখোনই সুখকর নয়। শুধুমাত্র অগ্নি নিরাপত্তা নয়, বহুতল ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোডের পাশাপাশি ফায়ার সেইফটি কোড যথাযথভাবে অনুসরন করতে হবে। ভবন সমূহে প্রতি ৩ মাস অন্তর অগ্নি নির্বাপন মহড়া, ভবন সমূহের আশেপাশে কৃত্রিম জলাধার তৈরী ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। বক্তারা প্রতিটি ভবনে ফায়ার এক্সিট নিশ্চিত করা, নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং ব্যবস্থা, হাসপাতাল ও স্কুলে বারান্দা সহ খোলা জায়গা রাখা ও প্রতিটি ভবনে কমপক্ষ্যে দুইটি এক্সিট ওয়ে রাখার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: