দ্রুতগতির ইন্টারনেট গুগল ওয়াই-ফাই সেরা যন্ত্র হতে পারে

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : ডিসেম্বর ০৮, ২০১৬
বাড়ির প্রতিটা কোণায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট পেতে হলে গুগল ওয়াই-ফাই সেরা যন্ত্র হতে পারে। এর জন্য লাগবে দুটো জিনিস। ইন্টারনেটের সংযোগসহ একটি আইওএস বা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল। আর লাগবে একটি গুগল অ্যাকাউন্ট।download-2 একবার সেট আপ হয়ে গেলে গুগল ওয়াই-ফাই সব সময় গুগলের সঙ্গে সংযোগ ধরে রাখবে সব সময়। নিজের গুগল অ্যাকাউন্টে লগ ইন করে এর পরিবর্তন করতে পারবেন। গুগল জানিয়েছে, এই ওয়াই-ফাই ব্যবহারকারীর কোনো অ্যাকটিভিটি ডেটা সংগ্রহ করে না। কোন সাইটে ভিজিট করছেন তা দেখবে না গুগল। এটা কেবল হার্ডওয়্যার, অ্যাপ এবং নেটওয়ার্ক সংশ্লিষ্ট তথ্য নেবে। সেটিংসের প্রাইভেসি অংশ থেকে এগুলোও বন্ধ করা যাবে। তারপরও গুগলের সঙ্গে নিয়মিত সংযোগ থাকতে হবে। সব বাড়িতে ওয়াই-ফাই ব্যবহৃত হ না। অনেকে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সিগনালের পরিসর বৃদ্ধি করে নেন। তবে গুগল ওয়াই-ফাই হ্যাকিং করা খুবই কঠিন বিষয়। এতে নিয়মিত আপডেট আসে। কাজেই সেট আপ নিয়ে যদি সাবধান থাকেন, তো এটাই সেরা ডিভাইস। কেবল সিগনাল ইউনিটের জন্য ১২৯ ডলার লাগবে। আর পুরো সেটের জন্য খরচ হবে ২৯৯ ডলার। এর ব্যবহার খুবই সহজ। সবমিলিয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যে সেট আপ হয়ে যায় অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করলে। এটা বেশ দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেয়। এটি প্রতি সেকেন্ডে ৪৭০ মেগাবাইট স্পিড দেয় নিয়মিত। তবে তারবিহীন সংযোগে যত বেশি দূর পর্যন্ত সংকেত ছড়িয়ে দেওয়া হয়, এর গতি ততই কমে আসে। এটাই ওয়াই-ফাই এর নিয়ম। তবে ফার্স্ট রাউটার ইউনিটের আশপাশে স্যাটেলাইট ইউনিট বসিয়ে গতি স্থিতিশীল রাখা সম্ভব। তিনটি ইউনিটের সিস্টেম বা সিগনাল ইউনিট হিসাবে দারুণ কাজ করে এটি। চারটি ল্যাপটপে একযোগে কাজ করে পরীক্ষা করেছেন বিশেষজ্ঞ। কাজে কোনো সমস্যা হয়নি। সিস্টেমটি নিয়মতি এয়ার স্পেস বিশ্লেষণ করতে থাকে। পরিষ্কার চ্যানেলের খোঁজে থাকে যন্ত্রটি।

অনেক দিক থেকেই গুগলের অতীতের হোম রাউটারের ক্ষেত্রে রীতিমতো বিপ্লব এনেছে নতুন যন্ত্রটি। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, একটি ইউনিটের পরিবর্তে এতে তিনটি ইউনিট মিলবে। প্রত্যেক হার্ডওয়্যার ইউনিটকে বলা হয় ওয়াই-ফাই পয়েন্ট বলা হয়। একটি ইউনিট নিলে একটি ওয়াই-ফাই পয়েন্ট মিলবে। একটি ইউনিটে ১২০০ বর্গফুট স্থানজুড়ে ওয়াই-ফাই সংকেত থাকবে। আর তিনটি ইউনিটে থাকবে ৪০০০ বর্গফুট। প্রথম ইউনিটটি মূল রাউটার হিসাবে কাজ করবে। ঠিক যেন একটি ব্রডব্যান্ড মডেম। বাকিগুলো ওয়াই-ফাই কাভারেজ হিসাবে কাজ করবে। অ্যাপের মাধ্যম গোটা বাড়ির নেটওয়ার্ক ভিজ্যুয়ালাইজ হবে। যেকোনো যন্ত্রে সংযোগ নেওয়া যাবে। একটি বা একধিক যন্ত্রের সংযোগ পজ করা যাবে। গুগল ওয়াই-ফাই ব্যবহারে কাভারেজ বা ইন্টারনেট গতি অসাধারণ। অন্তত অন্যান্য যন্ত্রের চেয়েও ভালো পাবেন।
সূত্র : সি নেট

Leave a Reply

%d bloggers like this: