দোহাজারীতে সংঘর্ষ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০২ জুলাই ২০১৭, রবিবার: চট্টগ্রামের দোহাজারী পৌরসভাস্থ দোহাজারী বাজারে গত বুধবার রাত ৮টার সময় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উল্লাপাড়া ও হাজাম পাড়ার মধ্যে সংঘর্ষ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া প্রায় ১৫ রাউন্ড গুলি বর্ষণ, দোকান ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এতে সেলিমউদ্দিন (৪০), দেলোয়ার (২৬), সজিব (১৫), ইছমাইল (১৮), মো: ইউচুপ (২০) ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা লোকজনসহ প্রায় ১০জন আহত হয়। এ সময় পুরো দোহাজারী রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। দোকানপাটসহ চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের ঘন্টাব্যাপী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। ভোগান্তির শিকার হতে হয় মহাসড়কের দু’পাশে আটকে পড়া যাত্রী সাধারণকে। খবর পেয়ে চন্দনাইশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে উঠে। বর্তমানে দোহাজারী বাজারে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন মুহূর্তে আবারো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটনা ঘটতে পারে।
দোহাজারীর বিশেষ করে বাস ষ্টেশন এলাকায় উভয় পক্ষের সংঘর্ষ ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ইটপাটকেল লাটিসোটার আঘাতে সাধারণ ব্যবসায়ী ও পথচারী আহত হয় এবং বিভিন্ন দোকানপাটে লুটপাট, ভাংচুরসহ নানা ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব পাড়ার উৎশৃঙ্খল যুবকরা কোন কারণ অকারণে দিন কি রাতে কোন সময় ছাড়াই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এমনকি এ ঘটনায় পুলিশও আহত হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ জানান, দোহাজারীতে এসব উৎশৃঙ্খল যুবকের কারণে ব্যবসায়ীদের মন্দাভাব বিরাজ করছে। দোহাজারীতে সদায় করতে আসা ফরিদ, কালিয়াইশের নুরুন্নবীসহ একাধিক সাধারণ জনগণ জানান, দোহাজারী একটি আতংকিত এলাকায় পরিণত হওয়ায় দোহাজারীতে কিছুই কেনাকেটা করতে যেতে ভয় পায়। তাই স্থানীয় জনগণ প্রশাসন ও   এমপি’র কাছে একান্ত দাবী জানান, এসব উৎশৃঙ্খল যুবকদের নেতৃত্বদানকারীদের গ্রেফতার পূর্বক শাস্তির ব্যবস্থা না করলে দোহাজারী সে পুরনো ঐতিহ্য ব্যবসায়ীক নাম ধ্বংসসহ দোহাজারী জনশূন্য হয়ে পড়বে। এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘ দিন ধরে ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে কিছু উশৃঙ্খল যুবক এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে চাদাঁবাজি, দখলবাজি করে আসছিল। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার দুই পক্ষের মধ্যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। দোহাজারীর মানুষ কি আগের মতো নিরাপদে চলতে পারবেনা…?নাকি শান্তি আর কখনে ফিরে আসবে না..? এই সব কথা এখন দোহাজারী সাধারন মানুষের মুখে মুখে। দোহাজারীতে সম্প্রতিক যেসব বড় বড় ঘটনা হয়েছে সব কিছুর পিছনে হাত ছিল শহীদ আলী এবং মোরশেদ আলী তারা তাদের আদিপাত্য বিস্তারের জন্য কিছু উদমাত, অশিক্ষিত এবং মাদকসেবী ছেলেদের দিয়ে ঘটনা ঘটায়। মানুষ বলে শহীদ আলী লালুঠিয়া পাহাড়ের সরকারি সেগুন বাগানের গাছ চুরি করে খাওয়া শেষ। তাই এখন দোহাজারী সদর মার্কেটের দোকান গুলা ছোট ভাই কে জোর পূর্বক দখল করে দেওয়ার জন্য উল্লা পাড়ার ছেলেদের লাগিয়ে দিয়েছে। যে কয়েকটা দখল করেছে তাদের থেকে চাঁদা আদায় করে মোরশেদ বাহিনি। শহীদ আলীর মানুষের বিভিন্ন জায়গা জমি দখল করে দেয় টাকার বিনিময়ে উল্লাপাড়ার ছেলে দিয়ে তাদের এইসব খারাপ কাজ করায়।এসব কর্মকান্ডের কথা দোহাজারীর মানুষ জানে কিন্তু ভয়ে মুখ খুলতে পারতেছেনা। কিছু বল্লে তাদের অস্ত্র দিয়ে ভয় লাগায় আরে বলে জানে মেরে ফেলবে। মানুষ এসব কিছুকে দিক্ষার জানাই এবং আইনি সহয়তা চাই।

ব্যবসা বাণিজ্যে নেমে আসে মন্দাভাব। ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনসাধারণ এব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*