দেহে রক্তশূন্যতার কারণে যে কয়েকটি লক্ষণ ধরা পড়ে তা হলো অবসন্নতা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৪ মে ২০১৭, বৃহস্পতিবার: দেহে রক্তশূন্যতার কারণে যে কয়েকটি লক্ষণ ধরা পড়ে তা হলো অবসন্নতা, কান্তি বা বমি বমি ভাব, ঘাম হওয়া, মলের সাথে রক্ত যাওয়া, ছোট ছোট শ্বাস প্রশ্বাস নেয়া, একটু বেশি ঠাণ্ডা অনুভব করা ইত্যাদি। রক্তশূন্যতা দূর করতে হলে নির্দিষ্ট কয়েকটি খাবার খাওয়া যেতে পারে। যেমন : পালংশাক, ডালিম, বিট, টমেটো, চিনাবাদাম ইত্যাদি। পালংশাকে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, বি৯, ই, সি, বিটা কারটিন ও আয়রন। এই খাবারগুলো খেলে দেহে রক্ত তৈরি হয়। আধা কাপ সিদ্ধ পালংশাকে ৩.২ মিলিগ্রাম আয়রন আছে যা মহিলাদের দেহের ২০% আয়রন ঘাটতি পূরণ হয়। প্রচুর পরিমাণ আয়রন এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল হলো ডালিম। এটি দেহে রক্ত প্রবাহ সচল রেখে দেহের দুর্বলতা ও কান্তিভাব দূর করে। এ ছাড়া আয়রন সমৃদ্ধ একটি খাবারের নাম বিট। এটি খেলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে দেহের রক্ত স্বল্পতা দূর হয়। এটি লোহিত রক্তকণিকা বৃদ্ধি করে এবং অক্সিজেন সরবরাহ সচল রাখে। আর টমেটোতে যে ভিটামিন সি থাকে, তা অন্য খাবার থেকে আয়রন শুষে নেয় এবং দেহের রক্ত স্বল্পতা দূর করে। এ ছাড়া টমেটোতে আছে বিটা ক্যারোটিন, ফাইবার এবং ভিটামিন ই। প্রতিদিন কমপে একটি টমেটো খাওয়ার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে এর বেশি খেলে আরো ভালো। চিনাবাদাম ও পিনাট বাটার আয়রনের আরেকটি ভালো উৎস। দুই টেবিল চামচ পিনাট বাটারে ০.৬ মিলিগ্রাম আয়রন পাওয়া যায়। পিনাট বাটারের পরিবর্তে চিনাবাদাম খেলেও সমপরিমাণ আয়রন পাওয়া যায়। আরো আছে ডিম, সয়াবিন, সামুদ্রিক মাছ, খেজুর, কিশমিশ ইত্যাদি। এগুলোতেও প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে যা দেহের রক্ত স্বল্পতা রোধ করে। ইন্টারনেট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*