দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক মৃত্যুর পরও ময়মনসিংহে বিক্রি হচ্ছে খেজুরের কাঁচা রস

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ডিসেম্বর ২০, ২০১৬, মঙ্গলবার: দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক মৃত্যুর পরও ময়মনসিংহে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবাধে বিক্রি হচ্ছে খেজুরের কাঁচা রস। এতে প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের কাছে খেজুরের কাঁচা রস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হলেও উপেক্ষিত হচ্ছে ময়মনসিংহ জেলার সর্বত্র।
বিগত বছরগুলোতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে সারাদেশে গ্রামভিত্তিক তালিকা প্রণয়নের কৌশল এবং খেজুর গাছের মালিক, সংগ্রহকারী ও বিক্রেতাদের সচেতনতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলা হয়।
বিশেষজ্ঞরা জানান, জীবাণুবাহী বাদুড় খেজুরের রসের হাঁড়িতে মুখ দিলে লালার সঙ্গে জীবাণু মিশে যায়। সেই কাঁচা খেজুর রস পান করার ৭ থেকে ৮ দিনের মধ্যে এ রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। নিপাহ হলে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে ক্ষীণ। মৃত্যুহার অনুযায়ী এটা অন্যান্য সংক্রামক ব্যাধির তুলনায় বেশি ভয়াবহ। মৃত্যুহার ৭৮ শতাংশ।
এদিকে ময়মনসিংহ জেলা ও উপজেলা শহর ও গ্রামাঞ্চলে প্রতিদিনই বিক্রি হচ্ছে কাঁচা রস।
রসবিক্রেতা শাহেব আলী জানান, প্রতি গ্লাস রস ৫ টাকায় বিক্রি করা হয়। প্রতিদিন ১শ থেকে দেড়শ গ্লাস রস বিক্রি করা যায়।
তার মত, জেলায় কাঁচা রস বিক্রেতার সংখ্যা শতাধিক।
এ ব্যাপরে জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, খেজুর রস বিক্রি বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: