‘দেশবাসী আজ লজ্জায় মাথা নত করে আছে’

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : যে দেশে প্রধানমন্ত্রী নারী, প্রধান দলের নেত্রী একজন নারী সেই দেশেstatement of shoto nagorik বারবার নারীরা এই রকম পাশবিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন দেখে দেশবাসী আজ লজ্জায় মাথা নত করে আছে। এমন মন্তব্য করেছে শত নাগরিক কমিটি। বৃস্পতিবার শত নাগরিক জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয় এ দেশের ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের প্রাণের অনুষ্ঠান পহেলা বৈশাখ বা বর্ষবরণ উৎসব। বর্ষবরণ উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে নারীদের বস্ত্রহরণ ও অগণিত নারীর শ্লীলতাহানি এবং যৌন হয়রানির ন্যক্কারজনক ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শত নাগরিক কমিটি। নিজ বিবৃতিতে শত নাগরিক কমিটি জানায়-আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ এই বর্ষবরণ উৎসবের মর্যাদা, সম্মান ও তাৎপর্যকে ভয়াবহ রকমভাবে কলঙ্কিত করেছে সরকারের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বেড়ে ওঠা দুর্বৃত্তরা। চার স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রকাশ্য দিনের আলোয় হাজার হাজার মানুষের চোখের সামনে এই দুর্বৃত্তরা উৎসবে আগত নারীদের উপর যে বর্বর, অসভ্য, অমানবিক ও পৈশাচিক নির্যাতন, বস্ত্রহরণ ও যৌন হয়রানি চালিয়েছে তার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। আমরা স্তম্ভিত, উদ্বিগ্ন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের উপস্থিতিতে দেড় ঘণ্টা ধরে নরপশুরা তাণ্ডব চালিয়েছে। অথচ পুলিশ অসহায় মেয়েদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি এবং দুর্বৃত্তদের পাকড়াও করার কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ছাত্র ইউনিয়নের যে নেতারা মেয়েদের রক্ষা করার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন তারাও পুলিশের সামনেই দুর্বৃত্তদের দ্বারা মারাত্মকভাবে প্রহৃত হয়েছেন। এই দিকগুলি আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত ও মর্মাহত করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যেখানে পহেলা বৈশাখে অর্ধশত নারী যৌন নির্যাতন ও নানাবিধ লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন, সেখানেই কিছুদিন আগে অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা হয়। এর কাছাকাছি স্থানে এর আগেও নারীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। এসব জঘন্য ও বর্বতার বিরুদ্ধে সরকার শুধু দোষারোপের নোংরা রাজনীতি উপহার দেয়া ছাড়া কার্যকর কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। আমরা ব্লেম গেম দেখতে দেখতে ক্লান্ত। আমরা চাই, এই জঘন্য বর্বরতা ও অসভ্যতার অবসান। দাবি করছি অবিলম্বে দুর্বৃত্তদের আইনের হাতে সোপর্দ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও কেন দরকারের সময় নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করলো তারও তদন্ত দাবি করছি। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন এমাজউদ্দীন আহমদ (আহ্বায়ক), সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ, কবি আল মাহমুদ, প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান মিঞা, প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, প্রফেসর ড. তালুকদার মনিরুজ্জামান, মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, সাদেক খান, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ড. মাহবুব উল্লাহ, শফিক রেহমান, প্রফেসর আফম ইউসুফ হায়দার, রিয়াজ উদ্দিন আহমদ, শওকত মাহমুদ, রুহুল আমিন গাজী, আবদুল হাই শিকদার, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, ড. ওয়াকিল আহমেদ, ড. খন্দকার মুশতাহিদুর রহমান, ড. সদরুল আমিন, ড. তাজমেরী এস এ ইসলাম, মাহফুজ উল্লাহ, ড. মোসলেহ উদ্দীন তারেক, গাজী মাযহারুল আনোয়ার, আলমগীর মহিউদ্দিন, এম এ আজিজ, কামাল উদ্দিন সবুজ, সৈয়দ আবদাল আহমদ, এম আবদুল্লাহ, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, কাদের গণি চৌধুরী, ইলিয়াস খান, ড. রাশিদুল হাসান, ইঞ্জিনিয়ার আনহ আখতার হোসেন, এ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বেবী নাজনীন, ড. আব্দুর রহমান সিদ্দিকী, ড. আমিনুর রহমান মজুমদার, ড. জেড এম তাহমিদা বেগম, প্রফেসর আকা ফিরোজ আহমদ, ড. আখতার হোসেন খান, ড. মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন (মালয়েশিয়া), প্রফেসর ইশাররফ হোসেন (মালয়েশিয়া), ড. কেএমএ মালিক (যুক্তরাজ্য), শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ (আয়ারল্যান্ড), আতিকুর রহমান সালু (যুক্তরাষ্ট্র), জয়নাল আবেদিন (যুক্তরাষ্ট্র), মঞ্জুর আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র), আবদুল্লহিল বাকী (ফ্রান্স), তমিজ উদ্দিন (ইতালি), ড. মোবাশে¡র মোনেম, ড. আবুল হাসনাত, ড. এবি এম সিদ্দিকুর রহমান নিজামী, প্রফেসর ড. আজহার আলী, মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান খান, ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ড. খলিলুর রহমান, ড. সাহিদা রফিক, ড. মো: হায়দার আলী, প্রফেসর একেএম আজহারুল ইসলাম, প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম, প্রফেসর কেএএম শাহাদাত হোসেন মন্ডল, প্রফেসর ড. হাসান মোহাম্মদ, প্রকৌশলী কাজী এম. সুফিয়ান, ড. ইফতিখারুল আলম মাসুদ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, প্রফেসর ড. মোশাররফ হোসেন মিঞা, প্রফেসর ড. মোখলেছুর রহমান, প্রফেসর ড. সুকোমল বডুয়া, ড. বোরহান উদ্দিন খান, ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, ড. লায়লা নুর ইসলাম, ড. ইয়ারুল কবির, ড. মামুন আহমেদ, ড. আবদুল লতিফ মাসুম, ড. ওবায়দুল ইসলাম, ড. সামসুল আলম, ড. সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহসান, ড. জাহিদুল ইসলাম, ড. কামাল আহমদ চৌধুরী, কবি আল মুজাহিদী, কবি হাসান হাফিজ, কবি আবু সালেহ, বাছির জামাল, একেএম মহসিন, মির আহমেদ মিরু, ড. লুতফর হমান, ড. তাসলিমা মানসুর, ড. মোরশেদ হাসান খান, ড. মো: মোজাম্মেল হক, ড. মাহফুজুল হক, ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন, প্রফেসর শাহ হাবিবুর রহমান, প্রফেসর এম নজরুল ইসলাম, প্রফেসর আসমা সিদ্দিকা, ড. সৈয়দা আফরোজা মামুন, কৃৃষিবিদ আনোয়ারুনবী বাবলা, কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, প্রফেসর মো: শহিদুর রহমান, প্রফেসর এনামুল হক, প্রকৌশলী কাজী মো: সুফিয়ান, ড. মোহসিন জিল্লুর করিম, প্রকৌশলী হারুন-অর রশিদ, প্রকৌশলী মমতাজ আহমেদ, প্রকৌশলী আল আমিন, প্রকৌশলী আসাদ চুন্নু, প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম, কৃষিবিদ একরামুল হক, অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডী, রাশেদুল হাসান হারুন, খন্দকার আসাদুজ্জামান কিটন, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল ফারুক, অধ্যাপক শাহনাজ সরকার রানু, মোহাম্মদ মাফরুহি সাত্তার, প্রফেসর সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, প্রফেসর আতিকুর রহমান, প্রফেসর কে এম গোলাম মহিউদ্দিন, প্রফেসর আ ক ম আবদুল কাদের, প্রকৌশলী মো: মাহফুজ, প্রকৌশলী মো: মালেক, প্রকৌশলী কাজী মেজবাহ, প্রকৌশলী মোসলেহউদ্দিন, প্রকৌশলী আল আমিন, ডা. ইফতেখার লিটন, ডা. বেলায়েত হোসেন,ডা. আবদুল মোতালেব, ডা. জসিম উদ্দিন, ডা. বদিউল আলম, ডা. গোলাম মর্তুজা, ডা. আবুল কাশেম, এ্যাডভোকেট জহুরুল আলম, প্রকৌশলী মাসুদুল হক খান, প্রকৌশলী হাসান পারভেজ, প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, প্রকৌশলী মাসুম আহমেদ, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ড. মো. গোলাম আরিফ কেনেডি, অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধূরী, অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আনম মুনীর আহমেদ চৌধুরী, সামশুল হক হায়দরি, জাহিদুল করিম কচি, ইসকান্দার আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, ডা. মোহাম্মদ ঈসা, প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, প্রফেসর নসরুল কবির, প্রফেসর মাহফুজ পারভেজ, শামসুদ্দিন হারুন, অধ্যাপক ড. এমএ বারী মিয়া, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. কামরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. শহিদুল হক, বেলাল হোসেন, ড. মো. মিজান, প্রকৌশলী সাব্বির মোস্তফা খান, ডা. এ এ গোলাম মুর্তজা হারুন, ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, ডা. আশরাফুল কবীর ভূঁইয়া, ডা. শাহাদাত হোসেন, ডা. মো. জসিম উদ্দিন, ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ, কৃষিবিদ আনোয়ারুন্নবী বাবলা, ইঞ্জিনিয়ার আবু সুফিয়ান, ফয়সাল আকবর, মনির খান, রিজিয়া পারভীন, রফিকুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, জাকির হোসেন, অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, অধ্যাপক তোফাজ্জল হোসেন, অধ্যাপক আবদুল হাকিম, অধ্যাপক রাকিব উদ্দীন, অধ্যাপক কাজী মাইন উদ্দীন, অধ্যাপক রোকেয়া চৌধুরী। সূত্র : শীর্ষ নিউজ ডটকম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*